
মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার
কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর মহিপুর থানার অন্তর্ভুক্ত ১১ নং ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের ফুলবুনিয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ির লোকজন কর্তৃক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করেছেন নির্যাতিতা সুমি বেগম।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ফুলবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন খন্দকারের ছেলে সোহেল খন্দকারের সাথে প্রায় ১০ বছর আগে বিয়ে হয় লালুয়া ইউনিয়নের মহল্লা পাড়া গ্রামের হতদরিদ্র মো.মস্তফা হাওলাদারের মেয়ে সুমি বেগমের।
বিয়ের কিছুদিন পর শ্বশুর আলাউদ্দিন খন্দকার যৌতুকের জন্য চাপ দেয় এবং শ্বশুর আলাউদ্দিন খন্দকারের কামুক দৃষ্টি পড়ে পুত্র বধু সুমি বেগমের উপর।সুমি বেগম তার শ্বশুরের এ জঘন্য অপরাধ মুলক কাজে সাড়া না দিলে এই নিয়ে ওই গৃহবধূকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। লোক-লজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু বলেননি। সময় যতো যায় নির্যাতনের মাত্রা বাড়তে থাকে। এর উপর যোগ হয়, দেবর ও শ্বাশুড়ির নির্যাতন।
বিষয়টি স্বামীকে জানালে তিনি পিতার বিরুদ্ধে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এবং তাকে অমানুসিক মারধর করেন।
শ্বশুর কতৃক মারধরের ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে আছে।
নির্যাতিতা সুমি বেগম ২কণ্যা সন্তানের জননী, প্রায়ই তাকে মারধর করে বাবার বাড়িতে ফেলে রেখে আসেন শ্বশুর বাড়ির লোকজন।
নির্যাতিতা সুমি বেগম অভিযোগ করে বলেন, ১০ বছর আগে সোহেল খন্দকারের সাথে আমার বিয়ে হয়। বিবাহের সময় আমার বাবা ২ লক্ষ টাকার স্বর্ন গয়না দিয়ে শ্বশুর বাড়ি তুলে দেন।
বিয়ের কিছু দিন গত হওয়ার পরপরই আমার স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন ইজিবাইক কেনার জন্য বাবার বাড়ি থেকে ২ লক্ষ টাকা আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। এবং প্রায় ই মারধর করতে থাকেন।তাদের অত্যাচার সহ্য করতে না পরে বিভিন্ন সময় আমি বাবার বাড়ি থেকে নগত টাকা এবং বাবার গরু বিক্রি করেও স্বামীকে টাকা পয়সা এনে দিয়েছি। তবুও সে আমাকে প্রতিনিয়ত মারধর করে আমার ২ মেয়েকে সহ আমার বাবার বাড়িতে ফেলে রেখে আসেন। আমি নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আমি বিজ্ঞ আদালতের দারস্থ হয়ে মামলা করি এবং এ-ই নির্যাতনের সুষ্ঠ বিচার দাবী করেছি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য মো.নুরুজ্জামান বলেন, মারধরের ঘটনা সত্য আমি শুনেছি। কিন্তু এবিষয়ে ছেলে বা মেয়ের পক্ষের কেউ কিছু আমাকে অবগত করেনি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল খন্দকার ও তার মা মারধরের বিষয়টি এরিয়ে যায়।
প্রকাশক : শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক : এম,এস,এ রেজা
প্রকাশক : 01746808322
সম্পাদক : 01712340047
ইমেইল : dailyajkersongram@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক আজকের সংগ্রাম. All rights reserved.