
মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার
কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি:
একযুগ আগে মৃত্যু ৫ ব্যক্তির নামে অলৌকিক ছোলে নামায় হতবাক উপকুলবাসী। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় ৩৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ জমি জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ভূয়া মালিকীয় দাবির কারনে জমির প্রকৃত মালিকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এর বিরুপ প্রভাব পড়ছে সাগরকন্যা খ্যাত কুয়াকাটার পর্যটন শিল্পে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন ও হতাশায় রয়েছে কুয়াকাটায় বিনিয়োগকারীরা।
জানা যায়, লতাচাপলী মৌজার জেএল ৩৪, এসএ ২০৮ নং খতিয়ানের ১৩ দশমিক ৫৪ ও এসএ ৯৭৪ নং খতিয়ানের ১৯ দশমিক ৮৯ একর জমির রেকর্ডীয় সূত্রে মালিক রাখাইন লাথয়। লাথয় দাতা হয়ে বাংলা ১৩৫০ সালের ৫ বৈশাখ কোল কর্ষা পত্তন মূলে মালিক হয় স্থানীয় আ. করিম হাওলাদার। তার মৃত্যুর পর দুই মেয়ে মিনারা বেগম ও সাফিয়া বেগমসহ মোট ৩৭ জন মালিকানা প্রাপ্ত হয়।
পরবর্তীতে ভূল বশত পুনরায় এসএ ২০০ নং খতিয়ান লাথায় এর নামে রেকর্ড হয়। পরে আ. করিম হাওলাদার বরিশাল সাব জজ ১ম আদালতে দেওয়ানী মামলা (১২৩/৭৫) দায়ের করে। ১৯৭৫ সালের ২৮ আগষ্ট ওই মামলার রায় পায়। ১৯ আগষ্ট স্বত্ত্ব ঘোষনায় ডিগ্রী প্রাপ্ত হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে ৮৭/৭৬ নং মোকদ্দমা আনায়ন করলে তা ১৯৮৯ সালের ২৫ জানুয়ায়ারি খারিজ হয়। পরবর্তীতে সিভিল ডিভিশন ৪৯৪৪/০৭ নং মামলা আনায়ন করলেও পরাজিত হয়। পরে সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে লিভ টু আপীল (৪৫২৪/২০১৮) আনায়ন করে। যা বর্তমানে বিচারাধীন। এ অবস্থায় রাখাইন এথাচি মগসহ স্থানীয় কতিপয় লোক পটুয়াখালী যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দেওয়ানী (৪৯৮/১৯) মোকদ্দমার মাধ্যমে ৮ জনের নামে ২০২২ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর একটি ছোলেনামা দাখিল করে। যাদের নামে ছোলেনামা করা হয়েছে তাদের মধ্যে পাঁচ জনই মৃত্যু। ২০২২ সালের ৩১ েঅক্টোবর ছোলেসূত্রে রায় এবং ৪ নভেম্বর ডিগ্রী প্রাপ্ত হয়।
এ ব্যাপারে মোসা. মিনারা বেগম বাদী হয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ১ম আদালতে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সিআর(৩৩৬/২০২৩) মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলা তদন্তের জন্য সিআইডিতে প্রেরণ করেন। তদন্ত শেষে আগামী ১১ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের কথা উল্লেখ রয়েছে।
প্রকাশক : শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক : এম,এস,এ রেজা
প্রকাশক : 01746808322
সম্পাদক : 01712340047
ইমেইল : dailyajkersongram@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক আজকের সংগ্রাম. All rights reserved.