নিজস্ব প্রতিনিধি:
নীলফামারীর জলঢাকায় অস্বাস্থ্যকর বেকারীর তৈরীকৃত বিস্কুট, চানাচুর, টোস্ট, রং মিশ্রিত শিশু খাদ্যে ভেজালে সয়লাব হয়েছে। এতে করে মানবদেহে নানারকম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে এসব দেখার কেউ নেই। জানা গেছে, উপজেলার পৌরসভাসহ ১১টি ইউনিয়নে অটোরিকশা যোগে খোলা চানাচুর, বিস্কুট, টোস্ট, রোবট নামীয় শিশু খাদ্য পৌছে যাচ্ছে মুদির দোকানগুলোতে। প্রতিনিয়ত এসব খাদ্য সরবরাহ গাড়ী যাওয়া-আসা করলেও এর কোন প্রতিকার নেই। এ উপজেলায় মনিটরিং এর কোন ব্যবস্থা না থাকায় অহরহ বেড়েই চলছে এসব অস্বাস্থ্যকর খাদ্যের সরবরাহ। গতকাল বুধবার এরকম একটি অটোগাড়ী চোখে পড়লে সাংবাদিকরা তথ্যের জন্য ছুটে যান। তাৎক্ষণিক উপজেলা হাসপাতালের দায়িত্বরত স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জিল্লুর রহমানের সাথে সাংবাদিকরা এ বিষয়ে কথা বললে, তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে গিয়ে বলেন, আমি বাহিরে আছি। গাড়ীচালক ও সরবরাহকারী সাংবাদিকদের বলেন, ডিলাররা এসব খাদ্য আমাদের বিভিন্ন মুদির দোকানে বিক্রি করার জন্য দেন। আমাদের হাতে কোন কাগজপত্রাদি নেই। আমরা এভাবেই মাল ডেলিভারী করি। বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যসহ যে গাড়ীটি পৌরসভার নেকবক্ত রাস্তায় মোলাংগাড়ী ব্রীজের পাশে ভেজালের জন্য প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল। সেখানে গাড়ীতে থাকা সেলসম্যান উপজেলা ডিলারদের সভাপতি গোলাম পাশা এলিচকে ফোনে অবগত করেন। ফোন পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে এসে সাংবাদিকদের বলেন, আপনারা তথ্য নেন জলঢাকা বাজারের মসল্লাপট্টিসহ বিভিন্ন মুদির দোকানে এসব বিস্কুট, চানাচুর, টোস্ট অহরহ পাবেন। আমি ভোক্তা অধিকারকে বিভিন্ন কোম্পানীর বোতলে তেল কম থাকায় অবগত করেছি। তারা কোন কর্ণপাত করেনি। আপনারা তথ্য নিয়ে রিপোর্ট করেন। আর ঠিক সেই সময়ে ঘটনাস্থলে আসেন স্থানীয় লোকজন। এরই ফাঁকে টান দিয়ে চলে যান অস্বাস্থ্যকর খাদ্য সরবরাহ গাড়ীটি। গোলমুন্ডা এলাকার আবু সাইদের ছেলে ডিলার সফিকুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, আমি এসব বেকারীর মাল হাতীবান্ধার রফিক ভাইয়ের কাছ থেকে নিয়ে আসি এবং বিক্রি করি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু হাসান মোঃ রেজওয়ানুল কবীর বলেন, এসব অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে কিডনীসহ নানা জটিলতা রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ময়নুল ইসলাম জানান, এ বিষয়টির সুস্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা করা হবে।
প্রকাশক : শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক : এম,এস,এ রেজা
প্রকাশক : 01746808322
সম্পাদক : 01712340047
ইমেইল : dailyajkersongram@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক আজকের সংগ্রাম. All rights reserved.