
আবু তালেব
নিয়ামতপুর(নওগাঁ) প্রতিনিধি:
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সেচ প্রকল্পের আওতায় মটর নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের ধর্মপুর মৌজার কৃষকেরা পানির অভাবে বোরো চাষের আবাদ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। এখন শুধু কৃষকদের মাঝে হাহাকার।
সরেজমিনে ভাবিচা ইউনিয়নের ধর্মপুর মৌজা এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, আধাপাকা ধানে দুই থেকে একটি পানি সেচ লাগবে। কিন্তু সেচের অভাবে কিছু কিছু জমির মাটি সাদা হয়ে ধান আরিয়ে মাটিতে নয়ে পড়ছে। এমনিতেই বরেন্দ্র ভূমি ঠা ঠা খরা। এই এলাকায় মটরে পানিও কম ওঠে।তার মধ্যে মটরে আওতায় প্রায় ৩৫০ বিঘা জমি। যা বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইনে ১৮০ বিঘা জমিতে সেচ দিতে পারবে।
এ বিষয়ে কৃষকরা জানিয়েছেন, পানি অভাবে আমাদের ক্ষতি হয়েছে। জমি শুকায়ে আছে। খরচ বেড়ে প্রতি বিঘায় ১৭শত টাকা নেয়া হয়েছে । এভাবে চলতে থাকলে জমিতে যা ধান হবে খরচই উঠবে না।
আরেক কৃষক মঞ্জুরুল ইসলাম কান্না সুরে জানান, নির্ধারিত সময়ে পানির অভাবে ধান জমির মাটিতে নয়ে পড়ছে। আমার জমিতে দুইবার পানি লাগত। আমার জমির ধান বেশি ক্ষতি হয়েছে ।
মটর পরিচালক ধর্মপুর গ্রামের হামেদ মোল্লার ছেলে আইজুল জানান, আমার মটরের বোরিং নষ্ট হওয়ার কারণে এবার পানি কম উঠছে। তার মধ্যে এখন প্রচন্ড তাপ আবার ড্রেন লিক হয়েছে। এজন্য আমার স্কিমের একটু সমস্যা হয়েছে।
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়নের নিয়ামতপুর জনের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ জানান , একটি মটরে ১৮০ বিঘা পর্যন্ত জমিতে পানি দিতে পারবে।আর প্রতি বিঘায় ১৪ শ টাকা পর্যন্ত নিতে পারেন কিন্তু এবারে খরার জন্য একটু বেশি নিতে পারে।
নিয়ামতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ জানান, এ ব্যাপারে আমার কোন বলার নাই, দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রকাশক : শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক : এম,এস,এ রেজা
প্রকাশক : 01746808322
সম্পাদক : 01712340047
ইমেইল : dailyajkersongram@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক আজকের সংগ্রাম. All rights reserved.