
সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ
প্রকল্পের কার্যাদেশের মেয়াদ শেষ হলেও এখন পর্যন্ত কাজ শুরু হয়নি সাতক্ষীরার শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনীর উপকূল রক্ষা বেড়িবাঁধের পাঁচটি পয়েন্টের কোথাও। কাজের অগ্রগতি না থাকায় প্রকল্প বাস্তবায়নেও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
প্রায় আড়াই বছর অতিক্রান্ত হলেও শুধুমাত্র বালুভর্তি জিওব্যাগ প্লেসিং করেই উধাও হয়ে গেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। ফলে প্রায় ৯৩ কোটি টাকার এই প্রকল্পের আওতাধীন এলাকার মানুষের মধ্যে আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম দুশ্চিন্তা। বিষয়টি নিয়ে পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর নড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ। পাউবো কর্তৃপক্ষসহ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে সরেজমিনে ভাঙনকবলিত অংশগুলো পরিদর্শন করেছেন শ্যামনগরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছাঃ রনী খাতুন। এসময় কাজের ধীরগতির কারণে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে তাৎক্ষণিক ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জেভি ডকইয়ার্ড নামীয় উক্ত প্রতিষ্ঠানকে জরিমানার পাশাপাশি আসন্ন বর্ষা মৌসুমের মধ্যে সিংহভাগ কাজ শেষ করার নির্দেশ প্রদান করা হয়। এছাড়া যেকোনো উপায়ে লোকালয়ে পানি ঢোকা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণেরও পরামর্শ দেওয়া হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (শ্যামনগর) মো. ইমরান সরদার জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাউবোর পক্ষ থেকে ডিজাইন করে ঢাকায় প্রস্তাবনা প্রেরণ করা হবে। ঢাকা থেকে টিম এসে প্রয়োজনীয় মাটির পরিমাপ সংগ্রহ করেই মাটির কাজ শুরু করা হবে। এছাড়াও কাজে গতিহীনতার কারণে ঠিকাদারকে ২০ লাখ জরিমানা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রনী খাতুন জানান, কাজে গতিহীনতার কারণে পাউবো’র পক্ষ থেকে ঠিকাদারকে ২০ লাখ জরিামানা করা হয়েছে। এছাড়া কাজের গতি বৃদ্ধি করে বর্ষা মৌসুমের মধ্যে ভাঙন কবলিত অংশসমূহ সুরক্ষিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, জাইকার অর্থায়নে ২০২২ সালে প্রায় ৯৩ কোটি টাকা ব্যায়ে শ্যামনগরের পাঁচ নম্বর পোল্ডারের পাঁচটি পয়েন্টে কাজ শুরু হয়। দুই বছর মেয়াদী উক্ত প্রকল্পের কাজ ২০২৪ সালে শেষ হওয়ার কথা। অথচ ২০২৫ সালের মাঝামাঝি এসেও কাজের মাত্র ২০ শতাংশ শেষ হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
প্রকাশক : শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক : এম,এস,এ রেজা
প্রকাশক : 01746808322
সম্পাদক : 01712340047
ইমেইল : dailyajkersongram@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক আজকের সংগ্রাম. All rights reserved.