
মোঃ আল-আমিন ইসলাম
নীলফামারী প্রতিনিধি:
নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক রাজাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হাত-পা ও মুখ বেঁধে নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও পুলিশের সহযোগীতায় ওই সাংবাদিককে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই সাংবাদিক ডোমার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর।
সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক রাজা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মডেল স্কুল পাড়ার মশিয়ার রহমানের ছেলে রাসেল একই এলাকার এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে উভয়ের সংসারে অশান্তি দেখা দেয়। এ নিয়ে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মশিয়ার ও তার ছেলেরা তাদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করতে থাকে। অসুস্থ সাংবাদিক রাজা যেতে অনাগ্রহ প্রকাশ করলে তারা জোড়পূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে সেই এলাকায় নিয়ে যায়। একপর্যায়ে পরকিয়ায় জড়িত নারীর পিতা তরিকুল ও মশিয়ারের পরিবারের লোকজন সহ সাংবাদিককে খুঁটিতে বেধে ফেলে এবং মুখ বেঁধে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্যাতন শুরু করে। এ সময় সাংবাদিকের কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা কেড়ে নেন সন্ত্রাসী বাহিনীরা।
এ ঘটনায় সাংবাদিক রাজাকে রক্ষা করতে গেলে স্বাধীন নামের এক যুবকও হামলার শিকার হন। দুর্বৃত্তদের হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। স্বাধীনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে তাৎক্ষণিক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। আসলে এই বিষয়টি গোপাল সাংবাদিক সমাজে নাড়া দিয়েছে প্রকাশ্যে দিবালকে একজন গণমাধ্যম কর্মীকে এভাবে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হাত, পা বেঁধে গাছের খুটির সাথে বেধর্ম নির্যাতন চালান। তবে এ বিষয়ে কথা হয় ডোমার থানার অফিসের ইনচার্জ আরিফুল ইসলামের এর সাথে তিনি বলেন আমার এই প্রশাসন তে নাকি মুমূর্ষ অবস্থায় পেয়ে উদ্ধার করে চিকিৎসাধীন হাসপাতালে ভর্তি করেছি। এবং ভুক্তভোগী আব্দুর রাজ্জাক ও তার পরিবার কেউ এখনো অভিযোগ জানায়নি থানায় যদি অভিযোগ করে তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বিষয়টি সচেতন মহলের নজরে আসলে, সচেতন মহল বলতেছেন যেখানে একজন সাংবাদিকের কোন নিরাপত্তা নেই সাংবাদিকদের এভাবে মারধর করতে পারে সে দেশে সাধারণ মানুষ কিভাবে চলাফেরা করবে এ কথা থেকেই যায়। দ্রুত সন্ত্রাসী বাহিনী ও যারা এই হামলার সাথে জড়িত সকলকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এলাকাবাসী।
প্রকাশক : শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক : এম,এস,এ রেজা
প্রকাশক : 01746808322
সম্পাদক : 01712340047
ইমেইল : dailyajkersongram@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক আজকের সংগ্রাম. All rights reserved.