বিশেষ প্রতিনিধিঃ
মাদারীপুরের কালিকাপুর এলাকায় প্রেমের টানে কাকার সাথে ভাতিজীর ঘর বাধার শপ্ন নিয়ে অজানায় পাড়ি জমানোর ঘটনা ঘটেছে।
মাদারীপুর এলাকার কালিকাপুর বাজার সংলগ্ন মাতবর বাড়ির বাচ্চু মাতবরের মেয়ে নিশি (১৮) তার পাশের বাড়ীর কাকা পলাশ খান (২২) এর হাত ধরে নতুন জীবনের উদ্দেশ্য বাড়ি হতে পালিয়ে গিয়েছে।
পলাশ খান একই এলাকার খান বাড়ির বাবুল খানের ছেলে।
ঘটনার সুত্রপাতের পর এলাকায় এক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং জনমনে বিভিন্ন প্রশ্নের দানা জমাট বাধে।
ধিরে ধিরে একজন থেকে অন্যজন হতে হতে সমস্ত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে মেয়ের বর্তমান স্বামী শহিদুল ইসলাম (২৫) মাদারীপুর সদর থানায় হাজির হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এলাকা সুত্রে কয়েক জনের সাথে কথা বললে তাহারা দৈনিক আজকের সংগ্রাম পত্রিকার প্রতিনিধিকে জানান,
মেয়ে নিশির সাথে তাহার কাকা পলাশ খানের দ্বীর্ঘদিন যাবৎ সম্পর্ক ছিল, যেটা অনেকেই বুজতে পেরেও তেমন আমলে নেয়নি কারন তাদের সম্পর্ক ছিল চাচা ও ভাতিজী।
আর এই সম্পর্কের দূর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে তারা প্রেমের জালে আটকে গিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে আজ বাড়ি হতে পালিয়েছে।
এলাকাবাসি আরও বলেন ভাতিজী নিশির ৩ (তিন) বছরের একটি ছেলে সন্তান ও চাচা পলাশের স্ত্রী সহ ১ (এক) বছরের একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে।
ভাতিজী নিশির স্বামি শহিদুল ইসলাম (২৫) তাহার বাড়ি বাদমতোলা যাত্রার মাঠ।
সে কাঠের ফার্নিচার শো-রুম ও প্রস্তুত কারীর ব্যাবসা করে।
ভাতিজী নিশি, তার স্বামি শহিদুল ইসলামের সাথে তার নিজ বাড়িতে বসবাস করতো।
কিন্তু নিশি তার স্বামির ব্যাবসার কাজে বাইরে যাওয়ার সময় ও সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে চাচা পলাশের সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং ঘর ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়।
গত বৃহস্পতিবার রাত ৯:০০ ঘটিকায় নিশির স্বামী শহিদুল ইসলাম তার ব্যাবসার কাজে বাজারে দোকানে থাকলে আগে থেকেই পরিকল্পনা করা নিশি ও তার স্বামি মিলে বাসায় রক্ষিত স্বর্ন ৫ (ভরি) ও দোকানের মালামাল বিক্রির নগদ ৫ ( পাচ)লক্ষ টকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
স্ত্রী, নগদ টাকা ও স্বর্নলংকার হারিয়ে স্বামী শহিদুল ইসলাম এখন পাগল প্রায়।
এ দম্পতির একছেলে সন্তান রয়েছে যার বয়স ৩ (তিন) বছর সে 'মা ' হারিয়ে এখন কেঁদে কেঁদে বুক ভাসাচ্ছে।
প্রকাশক : শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক : এম,এস,এ রেজা
প্রকাশক : 01746808322
সম্পাদক : 01712340047
ইমেইল : dailyajkersongram@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক আজকের সংগ্রাম. All rights reserved.