স্টাফ রিপোর্টার
মোঃ মোক্তারুজ্জামান মোক্তার:
পার্বতীপুরে টানা ক'দিনের টিপটিপানি বৃষ্টি ও মৃদু ঝড়ো হাওয়ায় আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জানা গেছে, দেশে প্রবহমান নিম্নচাপের প্রবাহে পার্বতীপুর উপজেলার বিভন্ন ইউনিয়নের কৃষকের কপালে ভাঁজ পড়ার কথা বলছে এলাকার একাধিক কৃষক। এদের মধ্যে উপজেলার জাহানাবাদ মন্ডলপাড়ার কৃষক রফিকুল ইসলাম (৪২) জানান, আমার জমির ধান মাটিতে পড়ে গেছে। এটা শুধু ক্ষতি নয় বরং পরবর্তীতে এ ধানের গোড়ায় কারেন্ট পোকা ধরার সম্ভবনা বেশী বলে জানান। ফলে এবারে ঋণের বোঝা মাথায় আরও চাপলো। যা আশা করছি তার বিপরীত হল। মনের আশা মনে রয়ে গেল। এদিকে উপজেলা আমবাড়ী এলাকার আব্দুল লতিফ (৫২) বলছে আমার এখানে অনেক কৃষকে ধানের ফসল অনেক মাটিতে পড়ে নষ্ট হয়েে গেছে। এরুপ কথা উপজেলার বেলাইচন্ডি ইউনিয়নের মোজাহার আলী (৬৫) বলেন, আমার রাস্তার পাশে জমির ধান সব পড়ে গেছে। আমরা মরে গেছি। বাঁচার আর পথ নাই বলে জানায়। একই ঘটনার কথা ৩নং রামপুরা ইউনিয়নের ভোটগাছ গ্রামের বেলাল হোসেন ও ৪ নং পলাশবাড়ী ইউনিয়নের চান্দপাড়া গ্রামের যোদ্ধ জানান, আমার মহা সড়কের রাস্তার পাশে জমির ধান মাটিতে লুটে পড়ছে। এগুলোর ধান আর পাওয়া যাবে না। এবার মাথায় হাত এলাকার অনেক কৃষকের বলে জানায়। উপজেলার ৮ নং হাবড়া ইউনিয়নের মরলাই গ্রামের মোকারম (৫৫) বলেন, গাছের তলার আব রাস্তার মোড়ের জমির ধান মাটিতে পড়ে গেছে এলাকার বহু কৃষকের। এবার কৃষকের কপালে ভাঁজ পড়ার কথা এবং শুধু চোখে পানি দেখা যায় না কিন্তু অন্ততে হাহাকারের প্রতিধ্বনি বের হচ্ছে বলেও জানায়। এ আবহাওয়ার দূর্যোগে ঘটনা একাধিক কৃষকের অভিযোগ শুধু আমাদের এলাকায় জমির ধান মাটিতে পড়ে নষ্ট হয় নাই পার্বতীপুর উপজেলার সব ইউনিয়নেই একই অবস্থা হয়েছে বলে জানায়। কৃষকের কথার প্রেক্ষিতে এ প্রতিবেদক সরেজমিন প্রদক্ষিন করে ২ নং মনম্মথপুর ইউনিয়নের শিমুলতলী থেকে পার্বতীপুর পর্যন্ত রাস্তার দু'ধারে জমির ধান মাটিতে লুটে পড়ার দৃশ্যটি সত্যিই কৃষকের ক্ষতি সাধকদৃশ্য। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার রাজিব হুসাইন কৃষকদের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শর কথা বলছে। তিনি বলেন,বৈরী আবহাওয়ায় কৃষকের পাশে থেকে উপজেলা কৃষি অফিস নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, ফসল রক্ষার্থে জরুরী করণীয়ঃআবহাওয়া ভালো হওয়ার সাথে সাথেই পরিপক্ক (৮০%)আগাম ধান দ্রুত কর্তণ করার পরামর্শ দেন। এছাড়াও হেলেপড়া ধানের ৪টি গোছা একত্রিত করে দাঁড় করারও পরামর্শের কথাও বলেন। তিনি আরও বলেন, আগাম আলু ও সবজি ক্ষেতের জমিয়ে থাকা পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার জন্য সকল কৃষকদের আহবান জানান।
প্রকাশক : শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক : এম,এস,এ রেজা
প্রকাশক : 01746808322
সম্পাদক : 01712340047
ইমেইল : dailyajkersongram@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক আজকের সংগ্রাম. All rights reserved.