
মোঃ আল আমিন ইসলাম
নীলফামারী প্রতিনিধি:
মৌসুম শুরুর আগেই ননইউরিয়া সার—টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি—যোগানে তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে নীলফামারীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। সরকারি অনুমোদিত ডিলারদের বরাদ্দ কম থাকায় প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ডিলারদের দাবি, ইউরিয়া সার পর্যাপ্ত থাকলেও বিএডিসি সরবরাহকৃত ননইউরিয়া সারের বরাদ্দ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। শীতকালীন মৌসুমে কৃষিকাজ বেড়ে যাওয়ায় সারের প্রয়োজনও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বরাদ্দ অর্ধেকে নেমে আসায় সার সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। তবে যতটুকু সার ডিলারের গোডাউন ঘরে যায় সেই সার আবার অটো গাড়ী, ভ্যান গাড়ীতে করে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি হয়ে ব্যবসায়ীদের দোকান ঘড়ে চলে যায়। জলঢাকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের নজরদারি না থাকায় এরকম সারের সংকটে পড়তে হচ্ছে কৃষকদের।
কৃষকরা বলছেন, ডিলারের কাছে গেলে সার পাওয়া যাচ্ছে না, অথচ খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বেশি দামে মিলছে পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং সরকারি সার গুলো। কৃষকদের অভিযোগ—এটি পরিকল্পিত সংকট তৈরি করেছে ডিলাররা। সরকারি দামে সার বিক্রি না করে গোপনে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বেশি দামে সরবরাহ করছেন, ফলে সাধারণ কৃষকরা বাজারে গিয়ে অতিরিক্ত দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
নীলফামারী জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের এক কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, “আইডি কার্ড দেখালে বিঘাপ্রতি মাত্র ১০ কেজি সার দেয়। ১২ বিঘা জমির জন্য লাগবে ৪৬০ কেজি সার, কিন্তু পাই মাত্র ৮০ কেজি। বাকি সার বাজার থেকে সংগ্রহ করতে হয় বেশি দামে। তবে সচেতন নাগরিকরা বলতেছেন ডিলার গুলো সারের দাম একটু বেশি পাওয়ার লোভে পড়ে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন,আর এদিকে সার পাচ্ছেন কৃষকরা।
প্রকাশক : শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক : এম,এস,এ রেজা
প্রকাশক : 01746808322
সম্পাদক : 01712340047
ইমেইল : dailyajkersongram@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক আজকের সংগ্রাম. All rights reserved.