স্টাফ রিপোর্টার :
পার্বতীপুর উপজেলার ৪ নং পলাশবাড়ী ইউনিয়নের ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের পদ্ম পুকুর আবাসনে ভাঙছে পুকুরপাড়। ক্রমেই পাড় ভেঙে যাওয়ায় তিন দিকের রাস্তা এখন হুমকির মুখে। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন আবাসনের প্রায় ২ শতাধিক বাসিন্দা। জানা গেছে, উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের আবাসন প্রকল্পে মোট ৫৫টি ঘর রয়েছে। ২০২২ সালের প্রথম দিকে সরকারি হস্তান্তরের মাধ্যমে ৫৫টি পরিবার এখানে আশ্রয় পায়। বর্তমানে এ আবাসনে প্রায় ২ শতাধিক জনসংখ্যার বসবাস করছে। আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি পরিবারকে ২ শতক জমিতে ২ কক্ষ, রান্নাঘর, টয়লেট ও বারান্দাসহ আধা-পাকা ঘর দেওয়া হয়, মালিকানা দেওয়া হয় স্বামী-স্ত্রী উভয়ের নামে। এ আবাসনের ঠিক মাঝখানে রয়েছে বিশাল বড় পদ্মপুকুর। এই পুকুরের দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশে কোনো গাইড ওয়াল না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে পুকুরের পাড় ভেঙে যাচ্ছে। ফলে পুকুরের পাড় ক্রমশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আবাসিক এলাকার জায়গা ও চলাচলের রাস্তা হুমকির মুখে পড়েছে। বর্ষাকালে পানির চাপ ও অতিবৃষ্টির কারণে পাড় ভাঙনের পরিমাণ আরও বেড়েছে।
এ প্রতিবেদক আজ ৫ নভেম্বর বেলা ১ টা ৩০ মিনিটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আবাসনের পশ্চিম, দক্ষিণ ও পূর্ব — তিন দিকের রাস্তাই ভেঙে গেছে। পুকুরের পাড় ঘেঁষে দক্ষিণ দিকে যে সরু রাস্তা দিয়ে শিশুসহ মানুষ চলাচল করছে সেখানেই ভাঙন সবচেয়ে বেশি। একটু অসাবধান হলেই পুকুরে পড়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে।
এখানকার স্থানীয় মেম্বার জিয়ারুর রহমান জানান, এ পুকুরটি লিজ নেওয়ার কথা রয়েছে। পুকুরটি সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ ও লিজের আওতায় এনে পাড় সংরক্ষণ করা গেলে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে গত ৫ অক্টোবর আবাসনের পক্ষে মোঃ সাইমুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আরাফাত আমান আজিজের নিকট একটি লিখিত আবেদন করেন । আবেদনে বলা হয়, এভাবে পাড় ভাঙতে থাকলে ভবিষ্যতে আবাসনের বসতবাড়ি, রাস্তা ও জনসাধারণের চলাচল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই জনস্বার্থে পুকুরের দক্ষিণ ও পশ্চিম পার্শ্বে দ্রুত টেকসই গাইড ওয়াল নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি। আবাসনবাসীদের দাবি, দ্রুত সরেজমিনে তদন্ত করে, গাইড ওয়াল নির্মাণের ব্যবস্থা নিলে ৫৫টি পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে বলে তারা জানান।
প্রকাশক : শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক : এম,এস,এ রেজা
প্রকাশক : 01746808322
সম্পাদক : 01712340047
ইমেইল : dailyajkersongram@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক আজকের সংগ্রাম. All rights reserved.