
মোঃ হেলাল উদ্দিন, স্টাফ রিপোর্টার:
নিহতের ছেলে জিন্নাত হোসেন (১৬) বলেন, আমার বাবার সাথে গতকাল সকালে কথা হইছে। দুপুরের পরে বাবা বাসা থেকে বের হইছে। রাতে বাবারে মাইরা ফালাইয়া রাখছে। আর ফিরে আসেনি। আমার মনে হয় বাবাকে দুর্বৃত্তরা আঘাত করে রিকশা নিয়ে গেছে।পরে বাবা ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন।পুলিশ খবর জানাইছে। এখন থানায় আইছি লাশের খবর নিতে।
গাজীপুরের নাওজোর এলাকায় থেকে একটি ব্যাটারি চালিত রিক্সা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে রিকশা চালকের মরদেহে উদ্ধার করা হলেও ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি রিকশাটি।
নিহতের নাম মাসুদ রানা, ৫৫, সে গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকার মুছানগর স্কুল সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসার থাকতেন।
তার স্থায়ী ঠিকানা-দিনাজপুর জেলার চিরির বন্দর থানার হাকিমপুর গ্রামের ছামাদ মিয়ার ছেলে।
গতকাল রাত ১১ টায় বৃহস্পতিবার রাত ৮ টায়নাওজোর হাইওয়ে থানা পুলিশের এস আই জোবায়ের মিয়া বলেন, গত বুধবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে রিকশা চালককে হেড ইনজুরি অবস্থা পাওয়া পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা জানান, যে স্থানে সে রিকশা চালাতো সেখান থেকে প্রায় ১১ কিঃমিঃ দুরে কালিয়াকৈর বংশাল ব্রীজ নামে একটি স্থান থেকে লাশ উদ্ধার হয়েছে।
নিহতের ভাই আবদুল হানিফ জানান, গতকাল বুধবার দুপুরে বাসায় ছেলে স্ত্রীর সাথে একসাথে দুপুরের খাবার খায়।সন্তানকে বলে বাবা আমি কাজ করে আসি। এই যে কাজে যায় তারপরে আর ফিরে আসেনি।
নাওজোর হাইওয়ে থানা পুলিশের এস আই জোবায়ের মিয়া বলেন, গত বুধবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে রিকশা চালককে হেড ইনজুরি অবস্থা পাওয়া পাওয়া গেছে। পরে সে ঘটনাস্থলে মারা গেছে। ঘটনাস্থলে রিকশাটি পাওয়া যায়নি।আজ বৃহস্পতিবার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।নিহতের ছেলে আমার সামনে আছে। ঘটনাটি সন্দেহ জনক মনে হচ্ছে, অভিযোগর ভিত্তিতে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তিনি বলেন।
এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, জানান থানার ওসি রইছ উদ্দিন।