
সোহাগ হাসান রানাঃ
রাজধানী ঢাকা সহ দেশের প্রায় সব জেলাতেই বর্তমানে প্রচন্ড তাপদাহের কারনে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জীবন চলাচল।
বৈশাখ পড়তে না পড়তেই শুরু হয়ে গেছে তাপদাহের তীব্রতা। একে তো বৈশাখ মাস আম, কাঠাল, লিচু সহ মৌসুমি ফল পাকার মাস তার উপরে আবার প্রচন্ড গরম।
স্বভাবতই বৈশাখ মাসে আকাশে কালো মেঘ, মেঘের গর্জন গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি মাঝে মাঝে ঝড়, যাকে আমরা কাল বৈশাখী ঝড় নামে জানি।
কিন্তু ষড়ঋতুর এ দেশে এখন আর এরকম নিয়মাবলি নেই। প্রকৃতি সত্যিই অদ্ভুত। শুধু মাত্র দুটি ঋতু রেখে বাকি গুলো সব পালিয়েছে।
আজ ঢাকার তামমাত্রা ৩৮ ডিগ্রির উপরে ছাড়িয়েছে।
এমনিতেই প্রচন্ড গরমে অতিষ্ঠ মানুষ তার উপরে আবার পল্লিবিদ্যুতের লোডশেডিং তো মরার উপরে ফোড়ার ঘা।
প্রচন্ড এ গরমের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হচ্ছে দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষগুলো।
যারা দৈনন্দিন রোজগারের উপর নির্ভরশীল, যেমন রিক্সা চালক ভ্যান চালক অটো চালক ও দৈনিক হাজিরার শ্রমিক গুলো।
খোলা আকাশের নিচে যারা জীবন জীবীকার জন্য দিনরাত এক করে যাচ্ছে তারা কেহই প্রচন্ড এই গরমে তাদের কর্মস্থলে গিয়ে কাজ করতে পারছেনা।
প্রচন্ড এ গরমে নানা অসুখ বিসুখের শীকার হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষ গুলো। কোনো কোনো রিক্সাচালক ও দিনমজুর ভাইদের দেখা যাচ্ছে গাছের নিচে বা কোনো টিনের চালার নিচে একটু প্রশান্তির আশায় জিরিয়ে নিচ্ছে।
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন মোড়ে, পাড়া মহল্লায় দেখা যাচ্ছে কিছু মানবিক লোক তাদের নিজেদের অর্থায়নে বড় বড় ড্যাগ বসিয়ে তাতে বরফের সাথে লেবু ও স্যালাইন মিশিয়ে পথচারী মানুষ সহ সকল শ্রমজীবী ভাই বোনদের খাওয়াচ্ছে।
আপনিও এরকম মানবিক কাজ করতে পারেন আপনার নিজস্ব এলাকায় আপনার ব্যাক্তিগত অথবা আপনার প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায়, প্রচন্ড এই গরমে একটু হলেও পথচারী অথবা রিক্সাচালক, সিএনজি অটোচালক ভাইদের এক গ্লাস ঠান্ডা শীতল পানীয় পান করিয়ে।