সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

আওয়ামী দোসর মর্জিনার সার ও বীজ চুরির তদন্ত ভেস্তে, প্রশাসন নীরব

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১১৫ বার পঠিত

গৌরাঙ্গ বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিবেদক:

সরকারি কৃষি প্রণোদনার সার ও সরিষা বীজ চুরি করে প্রশাসনের হাতে ধরা পরার পর‌ও মেম্বারী বহাল, প্রশাসন নীরব। বারবার তদন্ত প্রতিবেদন চাইলে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে গণমাধ্যম কর্মীকে সময় পার করছেন প্রশাসন। তবে, মর্জিনা মেম্বার অপরাধী তা স্বীকার করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজিয়া তরফদার। অথচ সার ও বীজ চুরির কোন ব্যবস্থা নেননি তারা। উল্লেখ্য, গত ৬ নভেম্বর ২০২৪ সালে মানিকগঞ্জে শিবালয় উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭, ৮ ও ৯ ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মর্জিনা বেগম তার এলাকার কৃষকদের মাঝে সিলিভ না দিয়ে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সমস্ত সার ও বীজ নিজের টাকা খরচ করে নিয়ে আসেন। নিজ এলাকার শাকরাইল নতুন বাজারে আত্মীয় সালামের সারের দোকানে ২৬ বস্তা সার দেন এবং নিজের বাড়িতে সুরক্ষিত স্থানে সরিষা বীজ রাখেন। উপজেলা প্রশাসন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে সার ও বীজ উদ্ধার করে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করেন। ঐসময় মর্জিনা মেম্বারকে সাময়িক বরখাস্ত করলেও আজ পর্যন্ত তদন্ত শেষ হয়নি। তবে এখনো মেম্বারী বহাল। তার কিছুদিন আগে হতদরিদ্রের ঈদ উপহার চাউল চুরি জনগণের কাছে ধরা পড়ে অত্র শিমুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও শিমুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জহির উদ্দিন মানিক। এ চাউল চুরির ঘটনায় জড়িত ছিলো আওয়ামী দোসর মর্জিনা বেগম। ইউনিয়ন পরিষদে সমস্ত কিছু ভাগাভাগি করে খেতো এরা। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের লোক হ‌ওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি প্রশাসন। তদন্ত- কৃষি অফিস থেকে ইউএনও অফিস, দেখায় আবার ডিসি অফিস। এই তদন্তের শেষ কোথায় জানতে চায় সচেতন মহল।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park