
নুর আলম
চীফ রিপোর্টার:
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার চরভাগা ইউনিয়নের খুনি কান্দি গ্রামের মৃত মুজাফফর হাওলাদারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেছেন একই গ্রামের মিলন বকাউল (৫০)। গত ২৭ নভেম্বর ৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত নামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন মিলন বকাউল। মামলার ৭ নং আসামি করা হয়েছে মৃত মুজাফফর হাওলাদারকে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৯ অক্টোবর (শনিবার) সকালে মৃত মুজাফফর হাওলাদার সহ ১৩-১৪ জন লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে বাদী মিলন বকাউলের থেকে ১ লক্ষ চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে মিলনকে মারধর করে মৃত মুজাফফর হাওলাদার। এক পর্যায়ে মিলন বকাউলের পকেট থাকা একটি মোবাইল ফোন কেড়ে নেন মৃত মুজাফফর হাওলাদার। এবং মৃত মুজাফফর হাওলাদার বলেন এই মোবাইল চাঁদার টাকা বাবদ নিলাম।
এদিকে এজাহারে উল্লেখিত মুজাফফর হাওলাদার ৬ বছর আগে মৃত্যুবরণ করেছেন। মামলার ৬নং আসামি মৃত মুজাফফর হাওলাদারের ভাই মোতালেব হাওলাদার মুজাফফর হাওলাদারের মৃত্যু সনদ দেখিয়ে বলেন, ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসের ১২ তারিখে আমার ভাই মারা গেছে। অথচ আমার ভাই মোবাইল ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে মিলন বকাউল।
মামলার একাধিক আসামি ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মিলন বকাউলের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলে আসছিলো আসামি পক্ষের লোকজনের সাথে। আসামি পক্ষকে শায়েস্তা করতেই মিথ্যা মামলা দিয়েছে মিলন বকাউল।
মৃত লোককে আসামি করার বিষয়ে মামলার বাদী মিলন বকাউলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এই বিষয়ে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ আসাদুজ্জামান হাওলাদার মুঠোফোনে জানান, এ বিষয়ে আদালতের নির্দেশে একটি মামলা রুজু হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।