
মনিরুজ্জামান মিলন পাটোয়ারী,
নীলফামারী
নীলফামারীর জলঢাকায় আধুনিক ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে মনোরম ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে লাইফ লাইন হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার-এর শুভ উদ্বোধন করেছেন নীলফামারী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা ওবায়দুল্লাহ্ সালাফি। মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে উপজেলার মীরগঞ্জ বাজার কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন মমিনুর কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। লাইফ লাইন হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক সেলিম রেজা।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-৩ জলঢাকা আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা ওবায়দুল্লাহ্ সালাফি এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মোখলেছুর রহমান মাস্টার, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও জলঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব কামারুজ্জামান, উপজেলা জামায়াতের সহ-সেক্রেটারি এ এ এম মুজাহিদ মাসুম, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আশিফ ইকবাল, মীরগঞ্জ ইউনিয়ন আমীর রেজাউল করিম বিএসসি, মির্জা জিকরুল হক, হামিদুল হক, আজগার আলী প্রমুখ। সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, ৭ জন অংশীদারের সমন্বয়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ চিকিৎসক ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে এ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের কথা বিবেচনায় রেখে সহজ ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা সেবা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসিফ ইকবাল বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ গুরুতর অসুস্থতা নিয়ে দূরবর্তী হাসপাতালে যেতে গিয়ে নানা ভোগান্তির শিকার হন। মানুষের সেই কষ্ট লাঘব করতে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, অভিজ্ঞ ডাক্তার ও সুন্দর পরিবেশে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাওলানা ওবায়দুল্লাহ্ সালাফি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। একটি অঞ্চলের উন্নয়ন তখনই অর্থবহ হয়, যখন সাধারণ মানুষ সহজে উন্নত চিকিৎসাসেবা পায়। মীরগঞ্জ ইউনিয়নের মতো প্রত্যন্ত এলাকায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার প্রতিষ্ঠা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমি প্রত্যাশা করি, এখানে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ডাক্তারদের মাধ্যমে আন্তরিকতার সঙ্গে রোগীদের সেবা দেওয়া হবে এবং হাসপাতালের সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ সবসময় বজায় রাখা হবে। চিকিৎসা সেবায় মানবিকতা, সততা ও দায়িত্ববোধ থাকলে মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরও বলেন, শুধু ব্যবসায়িক মনোভাব নয়, মানুষের কল্যাণের উদ্দেশ্যে কাজ করতে হবে। তাহলে এ প্রতিষ্ঠান অল্প সময়েই এ অঞ্চলের মানুষের আস্থার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হবে। পরিশেষে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।