সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

খিলগাঁও জুড়ে মাদক ও কিশোরগং দের উৎপাতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, প্রশাসনের নীরবতা ।

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
  • ৫০ বার পঠিত

ঐশী রহমান :

রাজধানির খিলগাঁও এলাকা একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ন এলাকা নামে একসময় খুবই পরিচিতি ছিল, কিন্তু বর্তমানে এই এলাকা যেন হয়ে উঠেছে মাদক,চোরাকারবারি আর কিশোর গ্যাংয়ের এক অভয় অরন্য।

১নং ২নং ৩নং ৭৪নং ৭৫নং ওয়ার্ড এলাকা জুড়ে খিলগাঁও এলাকা প্রতিষ্ঠিত,
এতো বৃহত্তর এলাকা জুড়েই খিলগাঁও থানা এলাকা।
খিলগাঁওয়ের প্রতিটি ওয়ার্ডে সকাল হতে না হতেই শুরু হয় মাদক চাঁদাবাজি আর কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম, যা চলে মধ্যরাত পর্যন্ত।

এলাকার স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু বাসিন্দারা গণমাধ্যম কর্মীদের জানায়,এখনে প্রকাশ্যে চলছে মাদকের ব্যবসা ও কিশোরগেংদের নিয়মিত আড্ডাবাজি ও অনৈতিক কার্যকলাপ।
বেশিরভাগই অস্থায়ী ভাড়াটিয়াদের বেপরোয়া ছেলে মেয়েদের উৎপাত এবং বহিরাগত ছেলেমেয়েদের গ্রুপের নানা দেশীয় অস্ত্র মহড়া,
বিশেষ করে খিলগাঁও থানার পেছনে ঝিলপাড়, ও কবরস্থান এলাকায়, সায়েরুনবাগ, নবীনবাগ,
ভূঁইয়া পাড়ার প্রত্যেকটা অলিতে গলিতে। তাছাড়াও আইসক্রিম ফ্যাক্টরি গলি, মদন গলি, প্রেমগলি, আদর্শ বাগ , রজনীগন্ধা রোড , কৃষ্ণচূড়া রোড ,কাঠপট্টি, লেংটার গলি, মেরাদিয়া কবর স্থান রোড , কমিশনার গলি , মধ্যপাড়া, নয়াপাড়া, গাজা পট্টি, বনশ্রী কেরফা গলি, নন্দীপাড়া ১০ নম্বর গলি, ছোট বটতলা এসব যায়গার। রিক্সার গ্যারেজ গুলোত সবচেয়ে বেশি মাদক কেনবেচা ও অনৈতিক কার্যকলাপ হয়।

ত্রিমোহনী গুদারাঘাট নাসিরাবাদ, টেকপাড়া, নন্দীপাড়া ছাপাখানা রোড, নন্দীপাড়া সিএনজি স্ট্যান্ড, গোরান ৮ নং রোডের কিছু অংশে সহ আদর্শ স্কুল সংলগ্ন নুরবাগের পুরো এলাকায়, নবাবী মোর, উত্তরণ ক্লাব সংলগ্ন গলিগুলোও বাদ যায় না। এমনকি থানার আশেপাশে হতে পল্লীমা স্কুল পর্যন্ত সন্ধ্যার পরেই মাদক ব্যবসায়ী ও অন্যান্য অনৈতিক কাজকলাপে লিপ্ত যারা তারা রাস্তার দোকানগুলিতে আড্ডা দেওয়ার নামে তাদের বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে তাদের অগচরে নাকি তাদের চোখের সামনেই চলছে এসব কর্মকাণ্ড এ বিষয়ে সন্ধিহান এলাকার সচেতন মহল। এলাকার ছোট ছোট চায়ের দোকান গুলো এবং গ্যারেজ গুলোতে নিয়মিত চলছে মাদকসহ দেশীয় অস্ত্র এবং অনৈতিক কার্যকলাপ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মৌখিক অভিযোগে জানা যায় যে , উক্ত ব্যক্তিদের অনৈতিক কার্যকলাপ, মাদক সেবী ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাতে অতিষ্ঠ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ থেকে শুরু করে, নানা ধরনের শ্রেণী পেশার লোকজন, এমনকি স্কুল কলেজের ছোট ছোট মেয়েরাও বাদ যায় না এদের উশৃংখল চলাফেরা ও উত্যক্তে।

এলাকর বিভিন্ন স্কুলের সামনে কিশোরগেংদের নিয়মিত মহড়া চলে এবং চলে বিভিন্ন বযসী মেয়েদের ইভটিজিংয়ের মতো জঘন্য অপরাধ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কিছু কিছু সময় এর প্রতিকারের জন্য জরুরি সেবা (৯৯৯)-এ ফোন দিলেও পুলিশের পক্ষ থেকে তেমন কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ লক্ষ করা যায়নি।
কয়েকবার সরাসরি থানায় ফোন করে প্রশাসনকে সহযোগিতা ও হস্তক্ষেপ কামনা করলে তারা এক কথায় বলে দিয়েছেন, ওদেরকে বেধে রাখবেন তারপর আমাদের খবর দিবেন,
আমরা এসে ব্যাবস্থা নিব। প্রশাসনের এরকম নির্দেশ ও মাদক ব্যাবসা সহ কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্মের বিষয়ে অবহেলা যেন এলাকার মানুষের কাছে প্রশাসনের দায়িত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

নাম না প্রকাশের শর্তে কয়েকজন এলাকাবাসীর দাবী প্রশাসনের হয়তো কিছু সংখ্যাক অসাধু সদস্যের জন্য আজ এখানে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের রাম রাজত্ব চলছে।
তাই এলকার আইনশৃংখলা পরিস্থিতি সুন্দর ও চাঁদাবাজি সহ মাদককে জিরো টকারেন্সে নামিয়ে আনতে সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে যদি কোনো পুলিশ সদস্যের অবহেলা বা যোগসাজশ পাওয়া যায় অথবা প্রমানিত হয় তাহলে তাদেরকে অপসারণ সহ আইনানুগ ব্যাবস্থা নেয়া হোক।

এলাকার কয়েকন বয়জ্যেষ্ঠ ও সচেতন মহল বলেন, আমাদের এই খিলগাঁও এলাকাটিতে মাদকদ্রব্যে এমনভাবেই মিশে আছে যে, সাত বছরের বাচ্চা হতে শুরু করে ৩০/ ৩৫ বছরের লোকদের হাতেও এখন মাদক দৃশ্যমান।
এলাকাবাসী আরো জানায় যে, নিয়মিত পুলিশিটহল না থাকার কারণে, মাদক ব্যবসায়ী এবং কিশোর গ্যাংদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বেড়েই চলেছে এজন্য আমরা আশা করছি, খিলগাঁও এলাকা সন্ত্রাসী,মাদক, দুর্নীতিবাজ এবং কিশোর গ্যাংদের উৎখাত করার লক্ষ্যে প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন।

খিলগাঁও থানা বাসীর দাবি অত্র এলাকায় দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা। যাতে করে আগামীর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন উশৃংখল ও উগ্রতায় পরিপূর্ণতা না দেখে এবং উল্লেখিত এলাকা অনৈতিক কার্যকলাপ ও মাদকমুক্ত হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park