সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে ১০টি তাজা গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড গোলা ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
  • ৯৫ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার জাদিমুড়া সংলগ্ন নাফ নদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড, তাজা গোলা ও মাদক উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে জাদিমুড়া বৌদ্ধ মন্দির সংলগ্ন লবণ মাঠে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে টেকনাফ কোস্ট গার্ড স্টেশন কমান্ডার লে. মোক্তাদীন ছিদ্দিকী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ জানতে পারে যে, সাবরাংয়ের জাদিমুড়া এলাকার নাফ নদী সংলগ্ন সীমান্ত ব্যবহার করে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী পরিবহনের উদ্দেশ্যে মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ তাজা গোলা ও গ্রেনেড মজুত করে রেখেছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৩ জুন (শনিবার) রাতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে জাদিমুড়া এলাকায় মাটির নিচে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় মিয়ানমার সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত ২টি 36M Mk-1 হ্যান্ড গ্রেনেড, ৮টি 40 mm HEDP গ্রেনেড এবং ২৮ রাউন্ড ৭.৬২ মিমি তাজা গোলা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে সেখান থেকে ২ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।

কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, উদ্ধারকৃত এসব ধ্বংসাত্মক গোলাবারুদ অসৎ ব্যক্তিদের হাতে পড়লে বা অন্য কোনোভাবে বিস্ফোরিত হলে সাধারণ মানুষের জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত। কোস্ট গার্ডের এই অভিযানের ফলে সীমান্ত ব্যবহার করে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।

উদ্ধারকৃত গ্রেনেড, গোলাবারুদ ও মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সীমান্ত এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমা ও নাফ নদী এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার, মানব পাচার এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর অপতৎপরতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park