
শাহেদ আহমেদ, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া লস্করপাড়া এলাকা থেকে গৃহবধূ ইনা পারভীন চন্দনা (৩৫) গত তিন দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন এবং এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে, স্থানীয় সূত্র ও পারিবারিকভাবে জানা যায় তিনি কাটিয়া এলাকার রবিউল ইসলাম ভেন্ডারের দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে সেখানে বসবাস করতেন এবং তার পৈতৃক নিবাস সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার শিবপুর গ্রামে, যেখানে তার পিতা মহিউদ্দীন শেখ বসবাস করেন; পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয় গত রোববার (১৪ জুন) সকাল আনুমানিক ১০টার পর থেকে চন্দনার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি হঠাৎ বন্ধ পাওয়া যায় এবং এরপর থেকে তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ সম্ভব হয়নি, পরবর্তীতে সম্ভাব্য সব আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান না মেলায় পরিবার দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় এবং এ অবস্থায় নিখোঁজ গৃহবধূর পিতা মহিউদ্দীন শেখ সাতক্ষীরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন যেখানে তিনি উল্লেখ করেন যে তার মেয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর দ্বারা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিলেন এবং তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে তার মেয়েকে স্বামী বা তার পরিবারের সদস্যরা কোনো অজ্ঞাত স্থানে লুকিয়ে রাখতে পারে অথবা তার কোনো ক্ষতিসাধন করতে পারে, এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রতিবেশীদের মধ্যে নানা ধরনের আলোচনা ও সন্দেহের জন্ম দিয়েছে, অন্যদিকে ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে সাতক্ষীরা থানা পুলিশ এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আরিফ নিশাত জানিয়েছেন যে বিষয়টি সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অনুসন্ধান করা হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন থানায় বেতার বার্তা পাঠানো হয়েছে যাতে নিখোঁজ ব্যক্তির কোনো সন্ধান পাওয়া যায় কিনা তা নিশ্চিত করা যায়, তবে এখন পর্যন্ত তার কোনো হদিস মেলেনি এবং পুলিশ বলছে ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ায় গভীরভাবে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে, পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, এদিকে নিখোঁজ চন্দনার পরিবার দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এবং পুরো এলাকায় এখন এক ধরনের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে কারণ তিন দিন পার হয়ে গেলেও তার কোনো সন্ধান না মেলায় দুশ্চিন্তা ক্রমশ বাড়ছে এবং সবাই দ্রুত তার অবস্থান শনাক্ত করে তাকে সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনার প্রত্যাশা করছে।