সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

কেরানীগঞ্জে আহাদ প্রোডাক্ট-এ প্রসাধনী কারখানায় অনিয়মের অভিযোগ। টয়লেটের পাশে কাঁচামাল, নেই বৈধতার প্রমাণ।

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
  • ১৩৭ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি :

ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার কালিন্দী এলাকায় অবস্থিত ‘আহাদ প্রডাক্ট’ নামে একটি কারখানায় মেয়েদের মুখ ফর্সা করার বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী উৎপাদনের নামে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র, অনুমোদন এবং যোগ্য কেমিস্ট ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কারখানাটির মালিক মতিউর রহমান হলেও এর দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করেন তার ছেলে আহাদ।
কারখানায় উৎপাদিত পন্যের কাঁচামাল রাখা হয়েছে টয়লেটের সামনে যা অত্যান্ত অস্বাস্থ্যকর, মান নিয়ন্ত্রণ ও পন্য উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল মিশ্রণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাদের সব কিছু ঠিকঠাক আছে।

পন্যের ল্যাবটেষ্ট ও কেমিস্টের কথা জানতে চাইলে তিনি জানান আমার বাবা মতিউর রহমান তিনি নিজেই একজন কেমিস্ট। সে যে কেমিস্ট তার যথাযথ প্রমান বা সার্টিফিকেট দেখতে চাইলে বলে, তার অনেক অভিজ্ঞতা তার লেখাপড়া বা কোনো সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয় না।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রসাধনী পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করতে হলে নির্ধারিত সরকারি অনুমোদন, নিবন্ধন, মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত তদারকি এবং একজন দক্ষ কেমিস্ট থাকা বাধ্যতামূলক।

কিন্তু কারখানাটিতে উৎপাদিত পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ এবং সরকারি নিয়মকানুন মেনে চলার বিষয়ে ন্যূনতম কোনো ব্যবস্থা নেই।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কারখানাটিতে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের ফর্সাকারী ক্রিম, লোশন ও সাবান তৈরি করা হয়। তবে এসব পণ্যের উপাদান, মান এবং নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।
এ বিষয়ে কারখানা মালিক মতিউর রহমান এর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কারখানার পরিচালক আহাদ এর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি কোনো কিছু বলতে রাজি নন।

এদিকে সচেতন মহল বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তাদের মতে, প্রসাধনী পণ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহৃত হলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অবস্থা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি বলে মনে করেন তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park