সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

সন্দেহের বশে মাঝরাতে ঘুমন্ত স্বামীর গলা কেটে হত্যা, স্ত্রী গ্রেপ্তার

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
  • ৭৩ বার পঠিত

ই.ক.ম.জী. দে. উজ্জ্বল

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পরকীয়ার সন্দেহকে কেন্দ্র করে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী জাহাঙ্গীর আলম জনি (৬২)-কে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্ত্রী ফারজানা আক্তার মুন্নি (৪২)-এর বিরুদ্ধে। সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে ফতুল্লার দেলপাড়া মির্জা বাড়ি এলাকার একটি বাড়ি থেকে জনির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফারজানা আক্তার মুন্নি পূর্বের সংসার ও তিন সন্তান রেখে কয়েক বছর আগে জনিকে ভালোবেসে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে তারা ফতুল্লার দেলপাড়ায় ফারজানার নিজ বাড়িতে বসবাস করছিলেন। জনি রাজধানীর পাঁচতারকা সোনারগাঁও হোটেলের একজন কর্মচারী ছিলেন।

স্থানীয়দের দাবি, সম্প্রতি জনির সঙ্গে একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক নারী সহকর্মীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করতে শুরু করেন ফারজানা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি নেমে আসে। প্রায়ই দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও ঝগড়া লেগেই থাকত।

প্রতিবেশীরা জানান, রবিবার রাতেও পরকীয়ার সন্দেহকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল বাকবিতণ্ডা হয়। পরে রাত গভীর হলে জনি ঘুমিয়ে পড়েন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, সেই সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর গলায় আঘাত করা হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

সোমবার সকালে রক্তমাখা পোশাক পরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। তারা ফারজানাকে আটক করে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করলে বিছানায় জনির রক্তাক্ত নিথর দেহ দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ফতুল্লা মডেল থানার একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় এবং ফারজানাকে গ্রেপ্তার করে।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পরকীয়ার সন্দেহ ও পারিবারিক কলহের জেরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দাম্পত্য সম্পর্কে সন্দেহ ও অবিশ্বাস কখনো কখনো ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park