সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দাউদকান্দিতে অ্যাম্বুলেন্সে ৬৭২ বোতল স্কাফ, আটক-২ গোপালগঞ্জে মুকসুদপুর বিদ্যালয় ও কলেজ ১৪ জন শিক্ষক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ১জন পাশের হার শূন্য হাতিয়ায় স্কুলশিক্ষিকার বসতঘরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি কোটালিপাড়ায় চলছে কৃষিকার্ড বিতরনে নিবন্ধন কর্মসূচি পার্বতীপুরে যুব দিবস পালিত সালথায় যুবদলের আহব্বয়ক হাসান আশরাফকে জয়কাইলবাসীর গণসংবর্ধনা কুমিল্লা জামায়াতের সাবেক আমিরসহ দুই নেতার সদস্যপদ বাতিল শরণখোলায় জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন পাবনার ভাঙ্গুড়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত, যুব ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ ন‌ওগাঁর নিয়ামতপুরে মাছ ও চিংড়ির রোগবালাই প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে মুকসুদপুর বিদ্যালয় ও কলেজ ১৪ জন শিক্ষক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ১জন পাশের হার শূন্য

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২৪ বার পঠিত

লুৎফর সিকদার
গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার দুর্বাশুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে ১৪ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নিয়েছেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী। তবে তিনিও পাস করতে পারেন নাই। ফলে কলেজটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।

গত শনিবার (১ নভেম্বর) প্রকাশিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এ চিত্র দেখা গেছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির নাম।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে মানবিক বিভাগে একজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে কোনো পরীক্ষার্থী ছিলেন না। প্রকাশিত ফলাফলে একমাত্র পরীক্ষার্থীও অকৃতকার্য হয়েছেন।

১৯৯৮ সালে দুর্বাশুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৯ সালে চালু করা হয় কলেজ শাখা। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির স্কুল বিভাগে ১৪ জন শিক্ষক রয়েছেন। তাদের সবাই এমপিওভুক্ত এবং বেতন-ভাতা সঠিক ভাবে পাচ্ছেন। কলেজ শাখায় বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ চালু থাকলেও শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে রয়েছে চরম সংকট।

প্রতিষ্ঠানটির স্কুল শাখার প্রধান শিক্ষক স্বর্ণা রানী বিশ্বাস বলেন, কলেজটি গ্রামীণ এলাকায় হওয়ায় ছাত্র তেমন পাওয়া যায় না। এ জন্য শিক্ষকরাও কলেজে আসেন না। শিক্ষার্থী ভর্তির ব্যাপারেও তাদের কোনো উৎসাহ নেই।

তিনি জানান, কলেজে শিক্ষার্থী বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। এ জন্য প্রতিবছর নিজের পকেট থেকে টাকা খরচ করছেন। এলাকাবাসী জানান, ১৪ জন শিক্ষক একজন পরীক্ষার্থী কে সঠিক ভাবে পড়াশোনার দিকে লক্ষ্য করলে এধরনের আপত্তিকরজন ঘটনা ঘটতো না। এজন্য এলাকাবাসী মনে করেন যে, এজন্য দায়ী সম্পূর্ণ শিক্ষকবৃন্দ।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park