সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে পেলেন বিপিএম-পিপিএম পদক।

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ৩৭০ বার পঠিত

এম,এস,এ রেজা :

পুলিশ দম্পতি স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে পদক পেয়েছেন। তারা হলেন- বগুড়ার পুলিশ সুপার (এসপি) সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী ও পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি সুনন্দা রায়। স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে পদক পাওয়া বাংলাদেশ পুলিশে এই প্রথম।

মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদেরকে এ পদক পরিয়ে দেন। এ বছর বাহিনীতে ভালো কাজের জন্য ১১৭ জনকে বিপিএম ও পিপিএম পদক দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, এর আগে পুলিশে কর্মরত একাধিক দম্পতি পদক পেলেও তারা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পেয়েছেন। এবারই প্রথম সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী ও সুনন্দা রায় একসঙ্গে পদক পেলেন।

সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী পেয়েছেন পিপিএম-সেবা এবং সুনন্দা রায় পেয়েছেন বিপিএম-সেবা।

এ বিষয়ে বগুড়ার এসপি সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, দুজন একসঙ্গে পদক পেয়ে অনেক ভালো লাগছে। এটা আমাদের স্বামী-স্ত্রীর কর্মের স্বীকৃতি। এ জন্য আমরা অনুপ্রাণিত, উৎসাহিত। প্রধানমন্ত্রী, সিনিয়র কর্মকর্তাসহ যারা আমাদের বিবেচনা করেছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।

তিনি বলেন, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনে অবিচল থাকব। দুজন পুলিশে একসঙ্গে চাকরির সুবাদে ফ্যামিলিতে অনেক কিছু স্যাকরিফাইজ করতে হয়। কিন্তু তারপরও আমরা আমাদের দায়িত্ব থেকে কখনো বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হইনি। সবসময় আন্তরিকতার সঙ্গে, নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছি। পারিবারিক বিষয় থেকে পেশাগত জীবনকে সবসময় আমরা প্রাধান্য দিয়েছি। আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য আমরা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা সন্তানকে সেভাবে সময় দিতে পারি না। অন্য বাবা-মা তাদের সন্তানদের যেভাবে ভালোবাসে আমাদের সন্তানেরা সে অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। অনেক কিছু সমন্বয় করে আমাদের দায়িত্ব পালনে কোনো প্রতিবন্ধকতার সুযোগ দিই না।

বগুড়ার পুলিশ সুপার আরো বলেন, আমরা সবসময় মনে করি এটা একটা মাইলফলক, যারা ওয়ার্কিং কাপল। অনেক কিছু দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ আছে, যেখানেই দায়িত্ব দেওয়া হোক না কেন নিজের লক্ষ্য স্থির করে সেদিকে ধাবিত হওয়ার জন্য এটা একটা উদাহরণ। অন্যান্য যারা আছে ওয়ার্কিং কাপল, তারাও নিশ্চয় তাদের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নিজেরা সাফল্য অর্জন করবেন এবং দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন, আশা প্রকাশ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, পুলিশ সুপার দম্পতি সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী ও সুনন্দা রায় দুজনই বিসিএস ২৪তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তারা দুজনই দীর্ঘদিন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park