সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

কুল চাষে আগ্রহ বাড়ছে জাজিরার কৃষকদের।

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ২০৬ বার পঠিত

নুর আলম
চীফ রিপোর্টার:

উন্নত জাতের কুল চাষ অধিক লাভজনক হওয়ায় শরীয়তপুরের জাজিরায় কুল চাষ ব্যাপক হারে বেড়েছে। তরুণ সমাজের কৃষি প্রতি আগ্রহ বাড়ায় জাজিরার কৃষিতে ভিন্নতা এসেছে। এতে করে জাজিরার কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

স্বাদ ও পুষ্টিতে উৎকৃষ্ট মানের মৌসুমি ফল কুল। জাজিরার মাটি কুল চাষের জন্য উপযোগী। বর্ষায় পানি উঠেনা এমন জমি কুল চাষের জন্য উপযুক্ত। যে জমিতে ধান-সবজি সহ প্রচলিত ফসলের ফলন তেমন ভালো হয়না। এমন পতিত জমিতে কুল চাষ করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছে অনেকেই।

বছরের পর বছর এসব জমিতে প্রচলিত ফসলের আবাদ করে লোকসান গুনতে হয়েছে কৃষকদের। তাই এসব জমি ছিলো অনাবাদি। অনাবাদি এসব জমিতে লোকসান হওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই কুল বাগান সহ অনন্য ফসল করতে সাহস পাননি। তবে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে প্রথমে হাতে গোনা কয়েকজন কুল চাষ শুরু করেন। বর্তমানে জাজিরায় প্রায় ৪-হেক্টর জমিতে কুল বাগান রয়েছে।

সম্প্রতি জাজিরার বড় গোপালপুর, সেনের চর ও মূলনা ঘুরে দেখা গেছে, ছোট-বড় অনেক কুল বাগান রয়েছে এসব গ্রামে। উন্নত জাতের কাশ্মীরী কুল, আপেল কুল, বল সুন্দরীসহ বিভিন্ন ধরনের বাহারি জাতের কুল রয়েছে এসব বাগানে।

বাগান গুলোর ভিতরে গেলে দেখা যায় মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। চার থেকে পাঁচ ফুট উচ্চতার এক-একটি গাছে থোকায় থোকায় ঝুলে আছে আপেল আকৃতির বড় বড় সব কুল। কুলের ভরে গাছের ডাল যেনো মাটিতে নুইয়ে না পড়ে সেজন্য বাঁশের সাথে রশি দিয়ে ডালগুলো বেঁধে দেয়া হয়েছে। এবছর কুলের ভালো ফলন হওয়ায় খুশি কৃষকেরাও।

বালিয়া কান্দি গ্রামের কুল চাষি মোঃ সামিম মাদবর জানান, তিনি দুই বছর আগে প্রথমে ৮’কাঠা জমিতে কুল বাগান করেন। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা তাকে তাকে পরামর্শ দিয়েছেন। সে বছর কুল বিক্রি করে ভালো লাভ হওয়ায় বাড়ির পাশে আরও দেড় বিঘা জমি লিজ নিয়ে কুল বাগান করেছেন।

গোপালপুরের সূজাত ফকির নামে আরেক কুল চাষি জানান, যে জমিতে প্রচলিত ফসল কম হয় সে জমিতেও কুল চাষ করা যায়। এবং ভালো ফলনও হয়। কুল চাষে পরিশ্রম কম এবং সৌখিন ফসল হিসেবে পরিচিত। উচ্চ ফলনশীল এসব কুল চাষে অধিক লাভ হওয়ায় এখন অনেকেই কুল চাষে ঝুঁকছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবছর জাজিরা উপজেলায় ৪’হেক্টর জমিতে কুল বাগান করা হয়েছে। এবং ১০’টি প্রদর্শনী বাগান রয়েছে।

জাজিরা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ জামাল হোসেন বলেন, জাজিরার মাটি কুল চাষের জন্য উপযোগী। উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড জাতীয় কাশ্মীর এবং বল সুন্দরী জাতের কুল বেশি লাভজনক। তাই এই জাতের কুল জাজিরায় বেশি চাষ হয়। কেউ কুল চাষে আগ্রহী হলে আমরা তাদের সার্বিক পরামর্শ দিয়ে সহযোগীতা করে থাকি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park