সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

ঠিকাদার নিয়োগ অনিশ্চিত, ওষুধ বঞ্চিত হবে লাখো মানুষ।

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৮৭ বার পঠিত

মোস্তাফিজার রহমান
রংপুর প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ওষুধসহ ছয়টি গ্রুপের বিভিন্ন মালামাল ক্রয়ের (এমএসআর) সামগ্রী ঠিকাদর নিয়োগ সংক্রান্তে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই বলে দাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।
আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ঠিকাদার নিয়োগ কার্যক্রম। ফলে ওষুধসহ এমএসআর সামগ্রী পাবার অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছে জেলার লাখো মানুষ। সম্প্রতি এমন আশঙ্ককা করছে সচেতন মহল। তারা বলছেন, বিজ্ঞ আদালত যদি সদয় হয়, তবেই পাবে নানা বয়সের অসুস্থ্য মানুষগুলো ওসুধসহ এমএসআর সামগ্রী।
গত ৩ অক্টোবর গাইবান্ধা সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে এই মামলাটি করেন জেনারেল হাসপাতাল রোডস্থ ফকিরপাড়া এলাকার ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী আফরোজা ইসলাম।
এই মামলায় পাঁচজনকে বিবাদী করা হয়েছে। তারা হলেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পরিচালক (অর্থ), সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও হাসপাতালটির আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও)।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রতি বছরের মতো ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের জন্য ছয়টি গ্রুপে এমএসআর সামগ্রী ক্রয়ের নিমিত্তে গণখাতে সংগ্রহ মতে চলতি বছরের ১ সেপ্টেম্বর দরপত্র আহবান করা হয়। গ্রুপ ছয়টি হলো, ওষুধ (ইডিসিএল বর্হিভূত), লিলেন সামগ্রী, যন্ত্রপাতি, গজ-ব্যান্ডেজ- তুলা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আসবাবপত্র।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের তৎকালিন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ( আরএমও) ও দরপত্র মুল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব ডা. এসএম তানভির রহমান জানান, মামলার বাদি সিডিউল কিনলেও অত্র কার্যালয়ে দাখিল করেননি। এছাড়া দরপত্রে উল্লেখিত ১৬ নম্বর ক্রমিকের প্রাক-দরপত্র সভায় তারা উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি তাদের পক্ষেও কেউ উপস্থিত ছিলেন না। সেক্ষেত্রে মামলার বাদির অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়। তবে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে যুক্তসঙ্গত জবাব দাখিল করেছে বিবাদীগণ। বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষের শুনানী শেষে ২৬ লাখ মানুষের কথা চিন্তা করে দ্রুত সমাধান দেবে এমন প্রত্যাশা করে তিনি আরও বলেন, পুর্বের ঠিকাদারদের সরবরাহকৃত ওষুধসহ এমএসআর সামগ্রী আগামী দুইদিনের মধ্য শেষ হবে। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওষুধসহ এমএসআর সামগ্রী রোগীদের বিতরণ করতে পারবে না।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সভাপতি ডা. মাহবুব হোসেন বলেন, দরপত্রের শর্তাবলীর মধ্য অন্যতম ৮ এর (ছ) পরিবর্তন করার অভিযোগ তুলে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেন, শর্ত মতে ৮(ছ) মতে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে বাদিগণ অংশগ্রহণ করেননি। ফলে বাদিগণের মামলা দায়ের করার আইনগত কোনো ভিত্তি নেই। জেনারেল হাসপাতালে এমএসআর মালামাল সরবরাহের জন্য জেলা হাসপাতাল বা তদোদ্ধ হাসপাতালের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে বাধ্যতামুলক।
গত বছরের তুলনায় ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের সরকারী বরাদ্ধের পরিমান বেশী হওয়ায় যাহা পিপিএ/২০০৬, পিপিআর /২০০৮ ধারা ৪৯ (অ)৪৮,২(ঊ) মতে ৮(ছ) নম্বর ধারা পরিবর্তন করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের এম,এস,আর দরপত্রের শর্তাবলীর ৮(ছ) সঠিক হয়েছে।
তত্বাবধায়ক আরও বলেন, মামলার বাদিগণের জেনারেল হাসপাতাল, জেলা হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এমএসআর মালামাল সরবরাহের পুর্বের কোনো অভিজ্ঞতার সনদ নেই। সেক্ষেত্রে ক্রয়কারী কর্তৃপক্ষ কোনো ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে পরামর্শ করে যোগসাজসী দরপত্র আহবান করেনি। তবে প্রশাসনিক নিয়মে উক্ত দরপত্র আহবান করা হয়েছে।
এছাড়া দুইটি কমিটির মাধ্যমে দরপত্র চুড়ান্ত করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে ক্রয়কারী কর্তৃপক্ষ এককভাবে কোনো ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেবার ক্ষমতা রাখেন না৷ ফলে বাদিগণের আনিত অভিযোগ সম্পুর্নভাবে বানোয়াট এবং সরকারী ক্রয়কার্যে বাঁধা প্রদানের সামিল বলে মনে করেন তত্বাবধায়ক ডা. মাহবুব হোসেন।

এ বিষয়ে ওই মামলার বাদি সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী আফরোজা ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park