
মানিকগঞ্জ থেকে আকাশ চৌধুরী
মা” ইলিশ সংরক্ষণের অভিযানে শিবালয় উপজেলার দূর্গম চরাঞ্চলের আলোকদিয়ার চর ঘেষে যমুনা বক্ষে এক শ্রেনীর অসাধু মৌসুমী ও নব্য জেলেরা অবৈধ ভাবে আইন অমান্য করে জেল জরিমানাকে উপেক্ষা করেও মা” ইলিশ নিধন করে চলছে। তবে ভয়াবহ দূর্গম চরাঞ্চল নিয়ে গঠিত এই সকল এলাকায় সরজমিন প্রতিবেদন সংগ্রহ করাও যেমন ঝুকিপুর্ন যাতায়াত করা নৌযানের অভাবে খুবই সমস্যা শুধু সরকারি পুলিশ সহ বিভিন্ন ফোর্স দিয়ে এদের দমন করা হলেও মানছে না এরা ইলিশ ধরা। গোপন সূত্রে জানা গেছে বিভিন্ন ভাবে এই সকল মৎস্য শিকারীরা সুকৌশলে প্রশাসনের আগমন দেখেই তাদের রাস্তা ঘাটে নিয়োগ করা টেলিফোন বহনকারীরা সতর্ক বার্তা পাঠাইলেই নদী থেকে সটকে পড়ছে জেলেরা।গত বছর প্রশাসনের উপর অবৈধ জেলারা হামলা দেওয়ার পর র্যাবের একশনে মাছের আস্তানা সহ নৌকা গুরিয়ে পুরিয়ে দিলেও ফোর্সরা চলে যাওয়ার পরও মানে নাই কোন বাধা আবার নদীতে নেমে মাছ ধরেছে দুর্দুরান্ত সাহসী এই সকল জেলেরা নদী পথে জমকেও ভয় পায়না এরা । গত ৩ দিন আগেও নদীতে অভিযান পরিচালনা কালে শিবালয় উপজেলার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আনিছুর রহমান খানের ট্রলার কে লক্ষ করে লাঠি সোঠা দিয়ে ভয় দেখিয়েছে বলে জানা গেছে । যে সকল ইলিশ ধরা পড়ছে ২ কেজির উপরেও আছে বলে জানা গেছে।প্রতিটি ইলিশ মাছই রয়েছে ডিম ভর্তি মা” ইলিশ একটি বড় ইলিশের পেটের ডিম থেকে একটি গবেষণা থেকে জানা গেছে ৩০ লক্ষাধিক বাচ্চা ইলিশ জন্ম নেয়। এই সকল অপশক্তিকে দমন করতেই উপজেলা প্রশাসন পুলিশ প্রশাসন, উপজেলা মৎস্য অফিসার ও মৎস্য অধিদপ্তর নদী পথে কঠোর অভিযান পরিচালনা করছেন। শিবালয় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ জসিম উদ্দিন জানান ১৪ অক্টোবর ২০২২ শক্রবার ভোর ৩ টায় যমুনা নদী থেকে ৩ জনের কাছ থেকে ৫ হাজার করে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অপ্রাপ্ত বয়স্ক ৪ জনকে মুছলিকা নিয়ে ছেরে দেওয়া হয় ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে পুরিয়ে দেওয়া হয়। প্রতিদিন পর্যায় ক্রমে ২/৩ বার রাতে ও দিনে ট্রলার স্প্রীড বোর্ড দিয়ে কঠোর অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।