
মোঃ সিফাত উল্লাহ বরিশাল ঃ
শিশু শিক্ষার্থীকে স্কেল দিয়ে পিটিয়ে দাত ফেলে দিয়েছেন বরিশাল নগরীর বানী মন্দির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক তুহিন কনা! আহত শিশু শিক্ষার্থী ওই বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেনীর ছাত্র এবং পুরাতন কয়লাঘাট এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলাউদ্দিনের ছেলে।
শিশু শিক্ষার্থীর ভাষ্য শ্রেনীকক্ষে খাতা ছিড়ে ফেলার অজুহাত তুলে মারধর করে সহকারি শিক্ষক তুহিন কনা। একপর্যায়ে স্কেল দিয়ে মুখের উপর আঘাত করলে একটি দাত পরে যায় শিশু মুহিনের। শিশু মুহিন বলে আমার কাছে ম্যাডামে একটি খাতা চেয়েছে আমি বলেছি আমার কাছে ২ টা খাতা নেই তারপরে আমাকে লাঠি দিয়ে মেরেছে লাঠি ভেঙ্গে যাওয়ায় স্কেল দিয়ে মুখে আঘাত করে তারপরে আমার ঠোট কেটে দাতে আঘাত লেগে আমার দাত পরে যায়। শিক্ষার্থী মুহিনের মা মুক্তা বেগমের দাবি সহকারি শিক্ষক তুহিন কনা প্রায়ই শ্রেনিকক্ষে তার ছেলেকে মারধর করে। গেলো রোববার ২৭ নভেম্বর মারধরের এক পর্যায়ে দাত পরে যায় মহিনের,পড়ে যাওয়া দাত নিয়ে রক্তাক্ত অবস্হায় বাসায় ফেরে মহিন।
মুহিনের মা মুক্তা বেগমের অভিযোগ শুধু মারধর নয় ছেলেকে খাবার দিলে তাও রেখে দেয় সহকারী শিক্ষক তুহিন কনা! প্রায়ই তার সন্তান বাসায় ফেরে কান্না করতে করতে। মহিনের বাবা মোঃ আলাউদ্দিন বলেছেন ছেলেকে মারধরের খবর পেয়ে তিনি সহ অন্যান্য অবিভাবকরা মিলে স্কুলে গেলেও সহকারি শিক্ষক তুহিন কনাকে পাননি!
পরে শুনেছেন অবিভাবকদের আসার খবর পেয়ে টয়লেটে পালিয়েছেন ওই শিক্ষক তিনি এই ঘটনার শুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন! সহকারি শিক্ষক তুহিন কনা শিক্ষার্থীদের কারনে অকারণে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে! সহকারি শিক্ষক তুহিন কনাই আমাদের মারধর করে বলে এমনটাই জানিয়েছে শিশু শিক্ষার্থীরা তবে অন্য শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই শিশু শিক্ষার্থীদের !
বানী মন্দির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক তুহিন কনার আচরণে ক্ষুব্ধ অধিকাংশ অবিভাবকরা। তাদের অভিযোগ সহকারী শিক্ষক তুহিন কনার ভয়ে শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে চায়না এর জন্য শিক্ষক তুহিন কনার অপসারণ দাবি করেছেন অবিভাবকরা। মারধর করে দাত ফেলে দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারী শিক্ষক তুহিন কনা বলেন দুষ্টুমি করার কারনে শাসন করা হয়েছে মাত্র নির্যাতনের মতো কোন ঘটনা ঘটেনি আর যে দাত পরেছে সেই দাত হয়তো নড়ছিল তাই ঘটনার সময় পড়ে যেতে পারে!
ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বানী মন্দির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুসমা ঘোষ বলছেন ইচ্ছাকৃত ভাবে নয় অসাবধানতবসতঃ আঘাত লেগে দাত পড়ে যায় মুহিনের স্হানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধান হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি!