সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

জাজিরায় পাওনা টাকা চাওয়ায় হত্যার হুমকি, থানায় অভিযোগ।

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ১৪৫ বার পঠিত

নুর আলম
চীফ রিপোর্টার:

ব্যাবসার জন্য ১৭ লক্ষ টাকা হাওলাত দিয়ে বিপাকে পড়েছেন ডেকোরেটর ব্যাবসায়ী সাদিকুল ইসলাম (৩০)। পাওনা টাকা চাওয়ায় এখন হত্যার হুমকি দিচ্ছেন ব্যাবসার সহযোগী অভিযুক্ত রোকন মাদবর (৩৫)। বিষয়টি শুক্রবার (৬-জানুয়ারি) জাজিরা থানা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী সাদিকুল ইসলাম।

ঘটনাটি ঘটেছে শরীয়তপুর জাজিরা উপজেলার সেনেরচর ইউনিয়নের ছোট কৃষ্ণনগর (৬নং ওয়ার্ড) এলাকার ইকবাল আকনের ছেলে সাদিকুল ইসলাম সফিকের সাথে। অভিযুক্ত রোকন মাদবর একই গ্রামের মান্নান মাদবরের ছেলে।

সাদিকুল ইসলাম ও তার বাবা ইকবাল আকনের দাবি ৬ মাস আগে দুজনে একসাথে পার্টনারশিপে অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন ব্যাবসা করতো। দুজনের বাড়ি একই গ্রামে হওয়ায় একে অপরের বিশ্বস্ততা অর্জন করে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সাদিকুলের থেকে ব্যাবসার কথা বলে ১২ লক্ষ টাকা নগদ এবং ব্যাংকের মাধ্যমে আরও ৫ লক্ষ টাকা হাওলাত নেয় রোকন মাদবর। কিছুদিন পর টাকা দেয়ার কথা থাকলেও টাকা না দিয়ে উল্টো আরও ৭ লক্ষ টাকা দাবি করে রোকন।

বিষয়টি স্থানীয় পঞ্চায়েতকে জানালে তারা রোকনকে গ্রাম্য শালিশে ডেকে টাকার বিষয়ে জিজ্ঞেস করে। শালিশ বৈঠকে ১২ লক্ষ টাকার কথা স্বীকার করে রোকন এবং ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ লক্ষ টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে। রোকনের দাবি সাদিকুলের থেকে নেয়া ১২ লক্ষ টাকা হাওলাত নয় ভিন্ন কোনো টাকা। পরে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিরা রোকনের ব্যাংকের মাধ্যমে নেয়া ৫ লক্ষ টাকার হিসেব চাইলে শালিশ বৈঠক ত্যাগ করে রোকন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ গন্যমান্য ব্যাক্তি এবং শালিশ বৈঠকে উপস্থিত লোকজন গণমাধ্যমকে বলেন, সাদিকুলের থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ লক্ষ টাকা নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে রোকন। তবে ১২ লক্ষ টাকা ভিন্ন কোনো টাকা বলে দাবি করেন রোকন।

এই বিষয়ে রোকন মাদবরের কাছে গেলে রোকন গণমাধ্যমে কোনো কথা বলেননি। ফালতু সময় নষ্ট করার জন্য তার সময় নেই বলেও জানান রোকন। ব্যাংকের লেনদেনের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে কথা বলবেন না মর্মে সাংবাদিকদের সাফ জানিয়ে দেন রোকন।

এই বিষয়ে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমরা জানি। লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে বিস্তারিত বলা যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park