
স্টাফ রিপোর্টার: উমর ফারুক
নাটোরের গুরুদাসপুরে অভিভাবকদের সম্মতি ছাড়াই প্রেমিক প্রেমিকার বিয়ে মেনে না নেওয়ায় দুজনেই বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এদের মধ্যে প্রেমিকার মৃত্যু হয়। অপরদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রেমিককে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী রুপা খাতুনের সঙ্গে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার হায়দারাবাদ গ্রামের ইমনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ছয় মাস ধরে তাদের প্রেমের সম্পর্ক চলা অবস্থায় গত ১৫ জানুয়ারি প্রেমিকার সোথে দেখা করতে গুরুদাসপুরে আসে প্রেমিক ইমন। পরে দুজন বিয়েও করে। কিন্তু বিয়ের বিষয়টি উভয় পরিবার জানতে পারলে দুজনের ওপর ক্ষুব্ধ হন পরিবারের সদস্যরা। পরে সোমবার পরিবারের ওপর অভিমান করে তরল কীটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে দুজনেই। স্হানীয় লোকজন দুজনকেই উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।
গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক দিল শামিমা আফরোজ আরশি বলেন, ‘জরুরি বিভাগে নিয়ে আসার পূর্বেই মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে। ছেলেটির অবস্থাও আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজশাহী মেডিকেলে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’
খুবজীপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান বলেন, ‘রুপা খুব মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। তার এই আত্মহনন দুঃখজনক ।
গুরুদাসপুর থানার থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল মতিন বলেন, ইমনের অভিভাবক না থাকায় গুরুদাসপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।অপরদিকে রুপার মৃত্যুর ঘটনায় একটি ইউডি মামলা করা হয়েছে।