সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

১৭তম স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ৬৬৪ বার পঠিত

মোস্তাফিজার রহমান রংপুর প্রতিনিধি :

রংপুরের পীরগঞ্জে ১৭তম বিয়ের পর স্ত্রী তানজিনা বেগমকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে স্বামী আবু সাঈদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। ঘটনার ১৬ বছর পর হত্যা মামলায় আদালত এ রায় দেন। বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক এম আলী আহমেদ এ রায় দেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামি আবু সাঈদ পলাতক ছিলেন। মামলার অপর আসামি আবু সাঈদের ১৮তম স্ত্রী তাছকিরা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তবে তাছকিরা বেগমও পলাতক রয়েছেন।
এদিকে মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার অনন্তরামপুর গ্রামের তাজিম উদ্দিনের মেয়ে তানজিনা খাতুনের সঙ্গে ওই উপজেলার পালগড় গ্রামের আজিমুদ্দিনের ছেলে আবু সাঈদের বিয়ে হয়। তানজিনা ছিলেন আবু সাঈদের ১৭তম স্ত্রী। পরবর্তীতে আবু সাঈদ তাছকিরা বেগম নামে আরও এক নারীকে নিয়ে করেন।
ঘটনার দিন ২০০৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ১৫ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে আবু সাঈদ (তৎকালীন বয়স ৪২) তার নববিবাহিত স্ত্রী তাছকিরার (তৎকালীন বয়স ২০) সহযোগিতায় তানজিনাকে (তৎকালীন বয়স ৩২) পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ পার্শ্ববর্তী ধানক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পরের দিন ৯ ফেব্রুয়ারি পীরগঞ্জ থানায় দুজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন তানজিনার বাবা তাজিম উদ্দিন।
তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৩ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিয়াউল হক। ৩০ জুলাই মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।
২০১০ সালের ২৬ জুলাই জামিন পেয়ে কিছুদিন আদালতে হাজিরা দিয়ে ২০১১ সালের ২৩ অক্টোবর থেকে পলাতক রয়েছেন আসামি আবু সাঈদ। অপরদিকে তাছকিরা বেগম ২০১২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি জামিন পেয়ে ২০১৪ সালের ১৮ মে থেকে পলাতক রয়েছেন।
মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সরকারি কৌঁসুলি তাজিবুর রহমান লাইজু জানান, অভিযুক্ত আবু সাঈদ যৌতুকের লোভে একের পর এক বিয়ে করছিলেন। তানজিনাকে বিয়ের সময় ২৫ হাজার টাকা যৌতুকের মধ্যে ১০ হাজার টাকা দেন তার বাবা। বাকি ১৫ হাজার টাকার দাবিতে তানজিনাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আবু সাঈদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park