সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

৮০ হাজার টাকা নিয়ে ৩ লাখ ৪৮ হাজার পরিশোধ করেও দুই মামলায় হাজিরা দিচ্ছেন শহিদুল

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ৩৩৯ বার পঠিত

মোঃ মাসুদ রানা, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

মাসিক ৫ হাজার টাকা লভ্যাংশ দেওয়ার চুক্তিতে ৮০ হাজার টাকা ধার নেন লতিফুল আলম ওরফে শহিদুল। এ টাকায় একটি ইজিবাইক কেনেন শহিদুল।
ইজিবাইকটি কিনেও দেন ঋণদাতা। ২০১২ সালের এপ্রিলে টাকাটি হাত বিনিময় হয়। চুক্তি অনুযায়ি গত ৬ বছরে ৩ লাখ ৪৮ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন। এখন আরো ৮ লাখ টাকা দাবি করছেন পাওনাদার। টাকার দাবিতে ২০১৮ সালে ঝিনাইদহ আদালতে পৃথক দুইটি মামলাও করেন পাওনাদার আনোয়ার হোসেন মোল্লা। আনোয়ার হোসেন কালীগঞ্জ পৌরসভাধীন ঈশরবা গ্রামের জামতলা পাড়ার মৃত ইসমাইল মোল্লা ওরফে
খাদেম মোল্লার ছোট ছেলে। ঋণগ্রহিতা শহিদুল একজন ইজিবাইক মেকার। সে কালীগঞ্জ পৌরসভাধীন ফয়লা গ্রামের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে। এমন
পরিস্থিতিতে নিরুপায় শহিদুল মামলা থেকে মুক্তি রাজনৈনতিক ও সমাজপতিদের কাছে বিচার চেয়ে বেড়াচ্ছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন কিন্তু শেষ
পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি। মামলার পর ২০২১ সালের শুরুতে সামাজিক বৈঠকের মাধমে ১ লাখ টাকা ঋণদাতার হাতে তুলে দেন শহিদুল। আরো ২০
হাজার টাকা দিলে মামলা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু পরতর্তিতে মামলা না তুলে আরো এক লাখ টাকা দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা দিতে না পারায় মামলা একনো চলমান। এখন সুষ্ঠ্য বিচার পেতে মানুষের দ্বারে
দ্বারে ঘুরছেন অসহায় শহিদুল।
ঋণদাাতা আনোয়ার হোসেন জানান, টাকা লেনদেনের বিষয়টি অনেক পুরানো। এখন বিষয়টি নিয়ে আদালত মামলা চলমান রয়েছে। ফলে এ নিয়ে আমি কোন কথা বলতে চাই না। এরপর বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য
অনেকবার অনুরোধ করার পরেও তিনি কথা না বলে চলে যান।
আনোয়ার হোসেনের বড় ভাই মতিয়ার রহমান জানান, দুইজনই আমার কাছের মানুষ। শহিদুল বিষয়টি নিয়ে চরম হতাশার মধ্যে রয়েছে। আমি ঘটনাটি মিমাংসার জন্য চেষ্টা করেছি। এ নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য পর্যন্ত গড়িয়েছে কিন্তু কোন সমাধান হয়নি। তবে, আমার ভাই
আনোয়ার হোসেন শহিদুলের উপর অন্যায় করছে বলে মন্তব্য করেন মতিয়ার।
কালীগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোতি ছাড়া সুদভিত্তিক অর্থ লেনদেন অবৈধ। সেটা ব্যক্তি অথবা সংগঠন যাই হোক। তবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে
কেউ যদি হেনস্থা বা প্রতারণার স্বীকার হয় তাহলে আবেদন করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নিয়ম রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park