
শেখর মজুমদার
বিশেষ প্রতিনিধি:
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় কৃষি প্রণোদনার আওতায় সমলয়ের মাধ্যমে চাষাবাদ কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে,কৃষকদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আধুনিক মেশিন রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে বোরো জাতের ধান ইস্পাহানী-৭ (হাইব্রিড) চারা রোপণ শুরু হয়।
১৪ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল দশটায় সমুদয়কাঠির বিনায়েকপুরে ঐ বোরো জাতের ধান ‘ আধুনিক মেশিন রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপন শুরু করা হয়।নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার এর শুভ উদ্ভোধন করেন।
এ সময়ে কৃষকদের উদ্দেশ্যে ইউএনও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ বলেছেন, এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি রাখা জাবেনা। ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য শস্য এবং ধান উৎপাদন একটি শ্রমিক ও শ্রমনির্ভর কাজ।শ্রমিক সংকট খরচ বেড়ে যাওয়ায় কৃষি খাত একদিকে হয়ে পড়েছে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন অন্যদিকে খাদ্যে সংকট দেখা দিয়েছে। তাই এ সংকট মোকাবেলায় ধান উৎপাদনকে সম্পূর্ণরূপে প্রযুক্তি নির্ভর করার বিকল্প নেই। জমি তৈরী, আগাছা দমন এবং ধান মাড়াই আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে করতে পারলেও আমাদের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
ডাঃ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শিকদার উপপরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি পিরোজপুর তিনি বলেন, বর্তমানে কৃষি উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। দশবছর আগের কৃষি আর বর্তমানের কৃষি এক নয়।বর্তমান কৃষির সাথে তাল মিলিয়ে নিতে কৃষিকে যান্ত্রিকি করন দরকার তাই আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির বিকল্প নাই। জমিকে একত্রিকরন করতে হবে ও সমালয়ের মাধ্যমে চাষাবাদ করতে হবে।
উপজেলা কৃষি অফিসার চপল কৃষ্ণ নাথ বলেন,
রাইচ ট্রান্সপ্লান্টরের মাধ্যমে এক বিঘা জমিতে ধানের চারা রোপন করতে সময় লাগে ৩৫ থেকে ৪০ মিনিট এবং জ্বালানী (পেট্রোল) লাগে ৬০০ মিলিলিটার। এতে রোপন খরচ শতকরা ৬৫ ভাগ কমে যাবে। উৎপাদন খরচ কমে আসবে কৃষক লাভবান হবে।
উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বরুন কুমার সিকদার এর সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন , হুমায়ুন কবির চেয়ারম্যান সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদ স্বরূপকাঠি প্রেসক্লাবের সাংবাদিক বৃন্দ এবং এলাকার দেড় শতাধিক কৃষক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানটি আয়োজনে ছিলেন নেছারাবাদ উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, নেছারাবাদ, পিরোজপুর