
নুর আলম
চীফ রিপোর্টার: শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাসপুরে বর্তমান চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারী ও পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল জলিল মাদবর সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত ৫’শতাধিক হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এছাড়া এই ঘটনায় কমপক্ষে ১০’জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায়
পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (১৫-ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় চলে এই সংঘর্ষ। পরবর্তীতে গুলি ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।
এর আগে বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মুলাই বেপারী কান্দি হয়ে বুধাইর হাট পর্যন্ত দুই গ্রুপের লোকজন দু-ভাগে বিভক্ত হয়ে হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। পরে বুধাইর হাট বাজার থেকে সাবেক সাংসদ বি এম মোজাম্মেল ভুইয়ার বাড়ি পর্যন্ত এবং সবশেষে মহড় খার কান্দি নামক এলাকার পাশে নদীর পার ধরে চলে এই সংঘর্ষ। এসময় দু’পক্ষই হাতবোমা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।
সরজমিন গেলে স্থানীয়রা জানায়, বর্তমান চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারী জাজিরা উপজেলা আওয়ামিলীগের সাবেক সদস্য ছিলেন। এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থী জলিল মাদবর সাবেক উপজেলা যুবলীগের সদস্য ছিলেন। গত বছরের ১৫ই জুন ৭ম ধাপে ইউপি নির্বাচনে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয় তারপর থেকে চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারী ও পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আ. জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে কয়েকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এই বিষয়ে জাজিরা থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ সুজন হক মুঠোফোনে বলেন, আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করা হয়েছে। পুলিশ আলাদা আলাদা টীম হয়ে গুলি ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করায় সঠিক সংখ্যা বলা যাচ্ছে না। থানার টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করতেছে। এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। দু’পক্ষই পলাতক থাকায় এখনো কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।