
মোঃ আরাফাত হোসেন:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেন, স্বাধীনতা উত্তর বাকশালের যাঁতাকলে-পিষ্ট অশান্ত, অনুন্নত ও লুটপাটে বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে সুন্দর অনন্য, আধুনিক ও স্বনির্ভর করে গড়ে তুলছিলেন আমাদের আদর্শের জনক মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম। বর্ণিল কর্মময় জীবনের জন্য শহীদ জিয়া ইতিহাসে সমুজ্জ্বল আলোয় আলোকিত। এদেশের সৌরভে-গৌরবের সকল কিছুর নির্মাতা তিনি।
বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪, রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে ‘ধানের শীষ’ সম্বলিত লিফলেট এবং রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগকালে যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এসব কথা বলেন।
সাম্য ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে দিকনির্দেশনামূলক জেলায় জেলায় জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল এর যৌথ লিফলেট বিতরণের ধারাবাহিকতায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের দূরদর্শী, বিচক্ষণ ও প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে ইস্পাত কঠিন ঐক্যের ভিত্তির উপর দৃঢ় লড়াই আর সংগ্রামের মাধ্যমে ৫ আগষ্ট দেশে নবীন প্রভাতের সূচনা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। হাসিনার দীর্ঘবাহুর থাবায় রক্তাক্ত, পীড়িত, ধূষর ও দীর্ণ দেশকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বেই আমরা নিরাপদ, কল্যাণকর ও মর্যাদাশীল দেশ হিসেবে গঠন করব।
আবদুল মোনায়েম মুন্না আরও বলেন, দেশের প্রতিটি সেক্টরকে মাফিয়ারানী হাসিনা দুর্নীতি, লুটপাট এবং অজস্র অনিয়মে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। গত ১৬ বছর দেশ ছিল মাফিয়াদের দেশ। হাসিনা ও তার পরিবারের লুটপাটে দেশের অর্থনীতি তলানিতে গিয়ে পৌঁছেছে। শিক্ষা, সংস্কৃতি সবকিছু আওয়ামী শাসনামলে ধ্বংস হয়ে গেছে। হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসন দেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। দেশকে সিকিম বানানোই ছিল হাসিনার উদ্দেশ্য।
বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী গুম-খুনের শিকার হয়েছে হাসিনার শাসনামলে তার নির্দেশে। বাংলাদেশে হাসিনার সকল অন্যায়-অবিচারের, দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের, গুম-খুনের, ২৪’র গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার বিচার হতে হবে৷ এইসবের বিচার না হলে ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসতে পারে। ফ্যাসিবাদহীন নিরাপদ বাংলাদেশ গড়াই এখন একমাত্র কর্তব্য।
এসময় যুবদলের সাবেক সমাজকল্যাণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মিলন, পাঠাগার সম্পাদক খন্দকার মাইনুদ্দিন খোকনসহ রাজবাড়ী জেলা যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।