
কলাপাড়া প্রতিনিধি (পটুয়াখালী)
মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কলাপাড়া উপজেলা, কলাপাড়া পৌর, মহিপুর থানা ও কুয়াকাটা পৌর শাখার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ূন শিকদারের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ জাফরুজ্জামান খোকন হাওলাদার, কলাপাড়া পৌর বিএনপি’র সভাপতি গাজী মোহাম্মদ ফারুক,সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃমনিরুজ্জামান, সাবেক বিএনপি নেতা পৌর শহর ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি নুরুল হক মুন্সি, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আজিজ মুসল্লী, মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল হাওলাদার প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কলাপাড়া বিএনপির ৪টি ইউনিটের সকল সদস্যবৃন্দ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু,কলাপাড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুসা তাওহীদ নান্নু মুন্সি, মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহজাহান পারভেজ এবং কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃমতিউর রহমান হাওলাদার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রায় সকল সদস্যরা তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে উপজেলার ৪টি ইউনিটের উপস্থিত তৃনমুলের নেতা কর্মীরা দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং তাদের সমস্যাগুলো তুলে ধরেন। পরে দোয়া মিলাদ এবং ইফতার সমগ্রী বিতরণ করেন।
এর আগে কলাপাড়া অডিটোরিয়ামে শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে এ বর্ধিত সভা। বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক, আগামী
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে দলের নির্ধারিত প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেন দখল, চাঁদাবাজিতে জড়িত নেতাকর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের কাছে যেতে বলেন।
দলীয় সূত্র জানায়, ৫ আগস্টের পরে দলের অনেক নেতাকর্মীকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার করার পরও দখল, চাঁদাবাজি বন্ধ করা যায়নি। এতে ইমেজ সংকটে পড়ে বিএনপি। দলীয় ভাবমূর্তি অটুট রাখতে দল প্রয়োজনে যেকোনো সময় যে কাউকে বহিষ্কার করতে পারে বলে নেতাকর্মীদের সতর্কবার্তা দিলেন মোশাররফ।
দলের আমন্ত্রিত নির্দিষ্ট নেতা কর্মী ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেয়া হয়নি বর্ধিত সভার অডিটোরিয়ামে। তথ্য ফাঁস রোধে নেতাকর্মীদের অনেককেই মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।