সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

টাঙ্গাইলের কালিহাতী: ১৫ ঘণ্টার দ্রুততর অভিযানে নির্মম হত্যার রহস্য উদঘাটন

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৭০ বার পঠিত

গৌরাঙ্গ বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

কালিহাতীর সাতুটিয়া এলাকায় জামাল বাদশার বাসার পিছনের নির্মাণাধীন বাথরুমের ট্যাংকিতে দুর্গন্ধের লক্ষ্যে অবিলম্বে বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের নিকট নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে এসে বাড়ির মালিক হতবাক হয়ে একটি লাশের সন্ধান পান, যার সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি কালিহাতী থানায় তৎক্ষণাৎ খবর প্রদান করেন।

দলগত অভিযান ও প্রযুক্তির আলোকসজ্জা
ঘটনাস্থলে ঘটনাজনিত প্রমাণ সংগ্রহে কালিহাতী থানার অফিসার-ইন-চার্জ মো. আবুল কালাম ভূঁঞা নেতৃত্বে একটি সুসংগঠিত তদন্ত টিম গঠন করেন। এই টিমে কালিহাতী সার্কেল ও ক্রাইম অ্যান্ড অপস্ বিভাগের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। এসআই মো. মিজানুর রহমান, এসআই শহিদুল ইসলাম মোল্লা, এসআই মিন্টু চন্দ্র ঘোষ, এসআই ইমাম হোসেন, এসআই শফিকুল ইসলাম, এসআই সুকান্ত রায় ও এসআই রাজীবসহ একাধিক সদস্যের সমবেত প্রচেষ্টায় প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযানে নামার মাধ্যমে তৎপরতা ও চৌকসতা প্রকাশ করা হয়।

অভিযানে গ্রেপ্তার ও স্পষ্ট অপরাধ প্রমান
অভিযানে তদন্তকারীরা সন্দেহভাজী হিসেবে এক তরুণ, নোমান (২০),কে উপজেলীর মহিষজোড়া গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেন। নোমানের গ্রেপ্তারের পর অপরাধ স্বীকারোক্তির মাধ্যমে ঘটনাটির প্রকৃত দিক উদঘাটিত হয়। উদ্ধার করা হয় নিহতের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন, পায়ের জুতা ও আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলামত, যা হত্যার মর্ম খুঁজে পাওয়ার মূল প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত।

অফিসার-ইন-চার্জের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য
মো. আবুল কালাম ভূঁঞা বলেন,

> “প্রতিটি প্রমাণ ও প্রযুক্তির সহায়তায় আমরা দ্রুত গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে হত্যার ঘাতকতা স্পষ্ট করতে সক্ষম হয়েছি। সন্দেহভাজীর স্বীকারোক্তি এই অপরাধের প্রকৃত প্রমাণ তুলে ধরেছে এবং আমরা আইনের কারাগারে তাঁকে নিয়ে যাব।”

পরবর্তী আইনানুগ প্রক্রিয়া ও নিরাপত্তার বার্তা
ঘটনার পর উদ্ধারকৃত আলামতগুলি বর্তমানে যথাযথ পরীক্ষায় পাঠানো রয়েছে। সন্দেহভাজীর মামলা মোড়কটি আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও আলোচ্যতা ও তদন্তের মাধ্যমে অপরাধের জড় অংশীদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপসংহার
এই চমকপ্রদ এবং দ্রুততর অভিযানে টাঙ্গাইল পুলিশ প্রমাণ করেছেন যে, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও তৎপর দলের সমন্বয়ে অপরাধ দমনে আমরা এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছি। ঘটনাটি সাধারণ জনগণের মধ্যে নিরাপত্তার বার্তা সঞ্চার করেছে এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের প্রেরণাকে আরও প্রভাবিত করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park