
আ স ম আবু তালেব,
নিজস্ব প্রতিবেদক:-
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে বালুখোর নামটা এখন আতঙ্কের নাম। লৌহজং উপজেলা প্রশাসনের পদ্মা নদীতে কড়াকড়ি নজরদারি থাকার কারণে বেকায়দায় পড়েছে বালুখোররা। তাছাড়া মাটির নীচ দিয়ে ও রাস্তা নষ্ট করে রাস্তার নীচে পাইপ বসিয়ে বছরের পর বছর যে সকল বালুখোররা বালু ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল; তারাও প্রশাসনের তৎপরতায় বিপাকে পড়েছে। বিভিন্ন গ্রামে প্রবেশ করে খুঁজে খুঁজে পাইপ নষ্ট করে দেয়ায় সন্তুষ্ট হয়েছিল এলাকাবাসী। ইদানীং বালু পাচারে পাইপের পরিবর্তে মাহিন্দ্রা ব্যবহার করছে বালুখোররা। ওরা মাহিন্দ্রায় বালু ভরে ওপরে দিয়ে কাঙ্খিত গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছে নির্বিঘ্নে
উল্লেখ যে, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে বালুখোর পাতি নেতারা পদ্মা নদীতে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে লৌহজং ভূমি অফিসের বিপরীতে জেগে ওঠা বিশাল চরটি বিলীন হয়ে গেছে। ফসলি জমি, ভিটেমাটি ও ঘর – বাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে অনেকেই কেদেঁ কেদেঁ অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছে। অপরদিকে নেতারা পদে বহাল থেকে আনন্দ – উল্লাসে মেতে ওঠেছিল। তাদের টিকিটি পযর্ন্ত কেউ হেলাতে পারেনি। আওয়ামী সরকারের পতনের পর বালুখেকো নেতারাও গা ঢাকা দিয়েছিল। কেউ কেউ গ্রীন সিগনেল পেয়ে ফের বালুর ব্যবসা চালু করলেও লৌহজং উপজেলা প্রশাসনের তদারকির কারনে নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছে।
বালুখোররা শকুনের মতো লৌহজংয়ের মানচিত্র খাবলে খাচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে বালু পাচারের অন্যতম বাহন মাহিন্দ্রা চিরতরে রাস্তায় চলাচলে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন লৌহজংয়ের আমজনতা।