
বাবলু শেখ রাজবাড়ীঃ
রাজবাড়ী সদর উপজেলা বসন্তপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের রাজাপুর গ্রামের মোঃ রুপন ওরফে শাহীনকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তার নিজ বাড়ি হতে তুলে নিয়ে যায় পার্শ্ববর্তী গ্রামের শামসুদ্দিন বিশ্বাস ওরফে শাম ও তার ছেলে সহ কয়েকজন, ১৬ই মে রোজ শুক্রবার সন্ধ্যার আগে শাহীনকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যান নিয়ে যান শাম সহ তার সহযোগীরা , শামসুদ্দীন ওরফে শামের নিজ বাড়িতে, শাহিনের হাত পা বেঁধে রাতভর নির্যাতন ও পিটিয়ে হত্যা করে ১৭ ই মে শনিবার ভোর রাতে বাড়ির বাইরে গেটের সামনে ফেলে রাখে শাহীনকে , এ সময় বসন্তপুর ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার সহ এলাকাবাসী উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাঃ তাকে মৃত্যু বলে ঘোষণা করে।
এ বিষয়ে ভিকটিমের আপন মামা মোঃ কালাম বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে ৭ থেকে ৮ জনের অজ্ঞাত আসামী করে রাজবাড়ী সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে , রাজবাড়ী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান বলেন মামলায় উল্লেখিত আসামির ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে ।
মামলার বাদী মোঃ কালাম বলেন,মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে আমার জানা নেই ।
১৮ই মে রবিবার বিকাল ৪টার দিকে বসন্তপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে জনগণের ব্যানারে অভিযুক্ত শামসুদ্দিন ওরফে শামা বিশ্বাস,মুক্তার বিশ্বাস, রাফিজুল বিশ্বাস, রিপন ওরফে কচি বিশ্বাস, সৌরভ বিশ্বাস, রাসেল বিশ্বাস, অন্তর বিশ্বাসের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী ।
বিক্ষোভ মিছিলটি শামসুদ্দীন ওরফে শাম বিশ্বাসের বাড়ির সামনে গেলে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের কথা কাটাকাটি হলে বিক্ষোভ কারীরা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাব্বির হোসেনের ওপর হামলা চালায়, হামলার একপর্যায়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাব্বিরের মাথায় হামলাকারীদের আঘাতে জখম হয়ে রক্ত বের হতে দেখা যায় ।
মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন অপরাধীরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছেন, তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে ফাসির দাবি জানা , এবং গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিরপরাধ ব্যক্তিদের ছেড়ে দেয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরিফ আল রাজিব জানান আহত এসআই সাব্বির হোসেন কে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে ।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে ।