
স্টাফ রিপোর্টার :
আজ ১৬ জুলাই মায়ের মানসপটে গুমলে গুমলে ওঠে এই দিন সন্তান হারানোর ব্যথা। ১৬ জুলাই ২০২৪ দুপুর ১ টা ৩২ মিনিট রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) এক নম্বর ফটকের সামনে জমায়েত হন ‘কোটা সংস্কার’ ছাত্র জনতা। বিভিন্ন স্লোগানে মুখর ছাত্র জনতার। ক্যাম্পাসের ভেতরে শিক্ষার্থীরা প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা প্রদান করে । উত্তেজিত ছাত্র জনতার উপর লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল ছোঁড়ে পুলিশ। এতে যোগ দেয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগের সন্রাসী অস্ত্রধারী গুন্ডাবাহিনী। দ্বিকবিদিক ছুটোছুটি ছাত্র জনতার কিন্তু নির্ভীক চিত্তে দাঁড়িয়ে আবু সাঈদ। ছাত্র জনতাকে হটাতে প্রায় ২০০ রাউন্ড গুলি ও রাবার বুলেট ছোঁড়ে পুলিশ। তখনও দাঁড়িয়ে আবু সাঈদ। বুক টান হাত উচু আগুয়ান কন্ঠে মার মার কত গুলি চালাবি চালাও চিৎকারে আবু সাঈদ। তখনি পুলিশ গুলি ছুঁড়ে। মুহূর্তেই তার বুক ঝাঁজরা হয়ে লুঠে পড়ে মাটিতে। তখন সময় ২টা ১৭ মিনিট। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তখন বিকেল ৩ টা ৫ মিনিট। এরপর অন্যায়ের বিরুদ্ধে গুলির সামনে সাহসিকতা প্রতিবাদী আবু সাঈদের মৃত্যুর ছবি সোসাল মিডিয়ায় ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। নিপাত ঘটে স্বৈরাচারী শাসনের। তারেই প্রতিচ্ছবি আজ শাহাদৎ বরণের একটি বছর। কোটা সংস্কারের রুপ নেয় আন্দোলন এরপর গণঅভ্যুত্থানের। সারাদেশে ছাত্র-জনতার গণপ্রতিরোধে ৫ আগস্ট ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে অবশেষে। স্বৈরশাসক আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ুশেখ হাসিনা পালিয়ে যায় ভারতে। কিন্তু আজও গ্রেপ্তার হয়নি আবু সাঈদ হত্যা মামলার মূলহোতারা। দেশে নানান পরিবর্তনে রুপরেখা ছক হল কিন্তু এখনো হলো না ছেলের হত্যাকারীর বিচার,প্রহর গুনছে বিলাপে আবু সাঈদের মা।