
স্টাপ রিপোর্টার, রাজু সাধু :
খুলনা পাইকগাছা মেইন রোডের উপরে মোঃ বাপ্পি গাজী (৩৮) নামক এক ব্যক্তি গত ২৫/৮/২০২৫ ইং তারিখে বেলা আনুমানিক ১.৩০ ঘটিকায় তার স্ত্রী, শ্বশুড় ও শ্বাশুড়ির উপরে হামলা করেন।
তুফান গাজী (৬৫), মেয়ে হাফিজা খাতুন (৩১), গ্রাম- রেজাকপুর, এই সময় তুফান গাজী ও তার মেয়ে হাফিজা খাতুন বাড়ি ফিরার উদ্দেশ্যে পাইকগাছা কোর্ট থেকে বের হওয়ার পর একটি ভ্যানে ওঠে, তখন ঘাতক বাপ্পি আক্রমণের উদ্দেশ্যে তাঁদের পিছু নেয় এবং সুযোগ বুঝে খুলনা পাইকগাছা মেইন রোডের উপরেই তাঁদের উপরে আক্রমণ করে ও এলোপাথারি কিল ঘুষি মারধর শুরু করে।
এ সময় ঘটনা স্থলে উপস্থিত স্থানীয় জনসাধারন ঘাতক বাপ্পী গাজীকে হাতে নাতে ধরেফেলে। এ ঘটনার পর তুফান গাজী ও তার মেয়ে নিরুপায় হয়ে থানার দ্বারস্থ হন। বাপ্পি গাজী এ খবর পেয়ে হাফিজা খাতুনকে মুঠো ফোনে ফোন দিয়ে হুমকী প্রদান করে।
তুফান গাজী ও তার মেয়ে হাফিজা খাতুন বাদী হয়ে, বাপ্পি গাজী বয়স (৩৮), পিতা- মৃত সিদ্দিক গাজী, সাং- শালিকা গুচ্ছগ্রাম, থানা- তালা, জেলা- সাতক্ষীরার বিরুদ্ধে এই মর্মে থানায় সাধারান ডায়েরী করেছেন বলে জানা যায়।
হাফিজা খাতুনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিবাদী বাপ্পি গাজী অত্যান্ত পর-সম্পদ লোভী ও খারাপ চরিত্রের ব্যক্তি। বাপ্পি গাজী নারী লোভী, নেশা খোর এবং অললাইনে জুয়ায় আশক্ত তাই বিবাহের পর হইতে স্বামীর সাথে বনিবনা না হওয়ায় বিজ্ঞ সিনিঃ জুডিঃ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট খুলনা আদালতে সিআর মামলা নং-৪৬৫/২৫ ইং দায়ের করি। তিনি আরো বলেন বিবাদী উক্ত মামালায় জামিন পেয়ে গত ০৯/০৮/২৫ ইং বিকাল অনুমান ০৪.৩০ ঘটিকার সময় আমার বাড়ির সামনে এসে চিৎকার চেচামেচি করতে থাকে। তখন আমি বের হইলে বিবাদীর সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে বিবাদী আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং আমাকে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে, আমি প্রতিবাদ করলে বিবাদী আমাকে এলোপাতারি কিল, ঘুষি মেরে নীলা ফুলা জখম করে। তাছাড়া উক্ত মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি ও হুমকী প্রদান করে।
পরবর্তীতে আমি বটতলা বাজারে গেলে ০৯/০৮/২৫ ইং বিকাল অনুমান ০৫.৩০ ঘটিকার সময় বাপ্পি গাজী আমাকে আবারো মারধর করে এবং বিভিন্ন ধরণের হুমকী প্রদান করে। তখন আমার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন উপস্থিত হলে বাপ্পী গাজী আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকী প্রদান করে। উক্ত ঘটনায় বাদী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং নিজের জীবন নাশের আশংকা রয়েছে তাই স্থানীয় প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন বলে জানান হাফিজা খাতুন।