সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

জুলাই ছাত্র হত্যার আসামী সাইফুল ইসলাম সজীবের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন।

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৬ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রামপুরা ও ভাটারা থানায় ছাত্র হত্যা মামলার অন্যতম আসামী সাইফুল ইসলাম সজীব (৫৪)। দুই থানায় মামলার তালিকাভুক্ত আসামী হয়েও তিনি আজ অবধি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং অপরাধের সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন— সাজাপ্রাপ্ত এই আসামির খুঁটির জোর কোথায়?
ছাত্র হত্যা থেকে মাদক ব্যবসা—অপরাধের দীর্ঘ তালিকা
সাইফুল ইসলাম সজীবের বিরুদ্ধে একের পর এক ভয়াবহ অভিযোগ রয়েছে।রামপুরা থানার মামলা নং ৩৪৮/২০২৫ এবং ভাটারা থানার মামলা নং ১৩৯/২০২৫-এ তিনি ছাত্র হত্যা মামলার আসামী।
২০১৫ সালে সুপ্রিম কোর্টে এক নারী আইনজীবীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগে মামলা নং ২৩।
২০২৩ সালে হাতিরঝিল থানায় লোনের প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎ ও হত্যার হুমকির মামলা (সি আর নং ৭২৭/২০২৩)।
একই বছরে রামপুরায় বেলায়েত হোসেন অনিকের কাছে ২৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করতে গিয়ে গ্রেফতার হন (সি আর নং ৩৯০/২০২৩)।
২০২৩ সালে হাতিরঝিলে নিয়মিত মাদক ব্যবসার অভিযোগে গ্রেফতার হন (এফআইআর নং ৩৩)।
২০২৪ সালে মৌলভীবাজার সদর থানায় আইসিটি আইনে মামলা।
কর্নফুলী গার্ডেন সিটিতে তাণ্ডব
২০২৪ সালের ৬ আগস্ট সাইফুল ইসলাম সজীব প্রায় ৪০-৫০ জন ভাড়া করা সন্ত্রাসী নিয়ে কাকরাইলের কর্নফুলী গার্ডেন সিটি অ্যাপার্টমেন্টে হামলা চালায়।
বাসার সদস্যদের মারধর ও জখম করা হয়।
লুটপাটের পর ভাঙচুর চালিয়ে সিসি ক্যামেরা ধ্বংস করা হয়।
সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে সজীবের ভাড়া করা ৭ জন সন্ত্রাসীকে আটক করে।এ ঘটনায় ৫১ জন ফ্ল্যাট মালিক একত্রিত হয়ে রমনা থানায় মামলা করেন (মামলা নং-২, তারিখ: ১৮/০৮/২০২৪)।ভুক্তভোগীদের আতঙ্ক
ফ্ল্যাটের সাধারণ বাসিন্দারা জানান, সজীব নিয়মিত মাস্তান ভাড়া করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
সমবায় সমিতির নির্বাচিত ম্যানেজার মোঃ সামসুদ্দিনকে অফিস থেকে জোর করে বের করে দেন।
এক ভদ্র মহিলাকে ফোনে হুমকি দিয়ে বলেন— “বাসায় ঢুকে সবাইকে মেরে ফ্ল্যাট জ্বালিয়ে দেব।
নিয়মিত লাঠি হাতে ফ্ল্যাট প্রাঙ্গণে হেঁটে বেড়িয়ে আতঙ্ক ছড়ান।
রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়
অভিযোগ রয়েছে, পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিএনপির এক শীর্ষ নেতা সাইফুল ইসলাম সজীবকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেন। বিনিময়ে নিয়মিত মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেন তারা। এজন্য থানায় তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ বা মামলা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গ্রহণ হয় না।

ছাত্র হত্যা মামলার অন্যতম আসামী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও দুর্নীতিবাজ সাইফুল ইসলাম সজীব আজও প্রকাশ্যে অপরাধের সাম্রাজ্য চালাচ্ছেন। প্রশ্ন রয়ে যায়— এতসব অপরাধের পরও তিনি কেন শাস্তির বাইরে? তার খুঁটির জোরই বা কোথায়?

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park