
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
রাজধানীর মিরপুর এলাকায় গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য আবাসিক হোটেল, যেখানে চলছে রমরমা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ব্যবসা। রাত গভীর হলেই এসব হোটেল পরিণত হয় অবৈধ লেনদেন ও অসামাজিক কার্যকলাপের আড্ডাখানায়। অথচ প্রশাসনের নাকের ডগায় এই অনিয়ম চললেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে জানা যায়, এলাকায় কয়েকটি প্রভাবশালী মহলের আশীর্বাদে এসব হোটেল দীর্ঘদিন ধরে অবাধে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু হোটেল কর্তৃপক্ষ স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ব্ল্যাকমেইল করে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
একজন স্থানীয় সাংবাদিক বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পেরে ওসি সাহেবকে ফোন দিয়ে ঘটনাটি অবহিত করলে তিনি জানান, “তদন্ত কর্মকর্তা বিষয়টি দেখবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।”
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, ওই তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাটি উল্টো ফাঁস করে দেন হোটেল মালিকদের কাছে। এরপর থেকেই সাংবাদিকের ওপর শুরু হয় নানান প্রকার হুমকি-ধামকি।
স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার ছত্রছায়ায় এসব হোটেল নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন রাতেই এখানে চলে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, মাদক সেবন, এমনকি চাঁদাবাজিরও অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসী দ্রুত এই অবৈধ হোটেল ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, “আইনের লোকই যদি অপরাধীদের তথ্য ফাঁস করে দেয়, তাহলে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার পাবে কোথায়?
মিরপুরের এই আবাসিক হোটেলগুলো এখন সমাজের জন্য এক নীরব বিষ। প্রশাসনের উচিত অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা।
(দ্বিতীয় পর্বে নাম সহ প্রকাশ করব)