
বাবলু শেখ রাজবাড়ীঃ
রাজবাড়ী কালুুখালি উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের হোগলাডাঙ্গা গ্রামের মোঃ আলমগীর ফকিরের ছেলে,শামীম রেজা,বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সৈনিক হিসাবে কর্মরত ছিলেন গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানে শান্তিরক্ষা৷ মিশনে সন্ত্রসীদের ড্রোন হামলায় ৬ জন বাংলাদেশী বীর সৈনিক নিহত হয়। এর মধ্যে রাজবাড়ী কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের হোগলাডাঙ্গি গ্রামের মোঃ আলমগীর ফকিরের ছেলে সৈনিক মোঃ শামীম রেজা (২৮)১৩ ই ডিসেম্বর সুদানে নিহত হন।
২১ ডিসেম্বর রবিবার বেলা দেরটার দিকে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে কালুখালী উপজেলা মিনি ষ্টেডিয়ামে সৈনিক শামীম রেজার মরা দেহ নিয়ে আসে।
সেখান থেকে তার মরদেহ নিজ গ্রামের বাড়ি হোগলাডাঙ্গিতে নিয়ে গেলে, বাড়িতে শোকের মাতম দেখা যায়। পরিবারের সদস্য সহ স্থানীয় এলাকাবাসি সহ কালুখালী উপজেলা সর্বস্তরের শত শত মানুষ শামীম রেজাকে এক নজর দেখে, শেষ বিদায় জানাতে তার নিজ বাড়িতে ভির করে।
বাড়িতে ৩০ মিনিট রাখার পর সেখান থেকে পার্শ্ববর্তী পারিবারিক কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।সেখানে শামীম রেজার মরদেহে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পনের পাশাপাশি রাষ্ট্রিয় মর্যাদা প্রাদান ও তার সম্মানে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।পরে বিকাল তিনটা ২০ মিনিটে দাফন সম্পন্ন করা হয়। শামীম রেজা তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সকলের বড়।বাবা মোঃ আলমগীর ফকির স্থানীয় সমজিদের একজন খাদেম। শামীম গত দের বছর আগে বিয়ে করেন।কিন্তু তার কোন সন্ত্রান ছিলোনা।
এলাকাবাসি ও তার আত্মীয় স্বজনেরা বলেন, শামীম রেজা এলাকার একজন ভালো মানুষ ছিলেন।এলাকার মানুষের সাথে তার নিবির সখ্যতা ছিলো।সততা ও নিষ্ঠার সাথে সে সেনাবাহিনীতে চাকরি করে আসছিলো।
সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেন এলাকাবাসি।
নিহত শামীম রেজার ভাই- সোহেল ফকির বলেন,তাদের পরিবারে প্রধান উপার্যনক্ষন ব্যাক্তি ছিলেন শামীম রেজা।তার মৃত্যুতে পারিবারিক ভাবে ভেঙ্গে পরেছেন।সরকারের কাছে তারা সব ধরনের সহযোগীতা দাবী করেছেন।
জানাজায় মেজর মোঃ মোস্তফার নেতৃত্ব কালুখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি শামস সাদাত মাহামুদ উল্লাহ সহ এলাকার মুসল্লীরা উপস্থিত ছিলেন।রাজবাড়ী দুই আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মোঃ হারুন অর রশিদ হারুন সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা জানাযার নামাজে অংশগ্রহণ করেন ।