
ইকবাল হোসেন
ত্রিশাল,ময়মনসিংহ।
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার কাঠাল ইউনিয়নে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার
ইন্তেকালে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাফিল ও একই সঙ্গে বিএনপি থেকে এই প্রথম এক জেলা যুবদলের ত্যাগী ও বার বার কারানির্যাতিত নেতার উদ্যোগে শীতার্ত হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।
৯ জানুয়ারি শুক্রবার বেলা ১১টায় ত্রিশাল উপজেলার কাঠাল ইউনিয়নের গুনি মুন্সি বাড়িতে বার বার কারানির্যাতিত নেতা, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহামুদ খান সোহানের উদ্যোগে এই দোয়া মাহফিল ও শীতার্ত হতদরিদ্র মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণের আয়োজন করা হয়।
দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায়
করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে এলাকার শীতার্ত ও অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।
এ সময় হাসান মাহামুদ খান সোহান বলেন,দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও আপসহীন নেতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক। গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আজীবন তিনি নিরলস সংগ্রাম করে গেছেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। “বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। আমরা তার ইন্তেকালে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় সবার কাছে দোয়া কামনা করছি। পাশাপাশি শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় কারাবন্দিত্বকালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে। এটি ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অমানবিক আচরণের বহিঃপ্রকাশ।
এ সময় তিনি বলেন, চরম অসুস্থতা ও নির্যাতনের মাঝেও বেগম খালেদা জিয়া কখনো আপস করেননি। তাঁর ত্যাগ ও নেতৃত্ব বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য চিরন্তন প্রেরণা হয়ে থাকবে।
শেষে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা, শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং দেশ ও জাতির শান্তি, স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।