
নীলফামারী প্রতিনিধি:
জলঢাকা পৌরসভার রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ১ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা ব্যয়, জলঢাকা পৌরসভার অধীনস্থ ৯ নং ওয়ার্ডের মধ্য কাজিরহাট হইতে বালিকা এতিমখানার সামন দিয়ে প্রভাষক ছাদের হোসেনের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের কাজে অনিয়মের অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় রাস্তার সংস্কারের নামে এক নাম্বার ইটের খোয়া দেওয়ার কথা থাকলেও সেটা দেখা যায়নি, দেখা গেছে নিম্নমানের ইটের খোয়া।
এবং ইটের গাইডওয়ালে দুই দিকে নেই কোন মাটি সাপোর্ট, তাই যে কোনো মুহূর্তে ভেঙ্গে যেতে পারে রাস্তা দুইপাশ তখন ক্ষয়ক্ষতি হবে এলাকাবাসীর। কিন্তু কাজটিতে যেভাবে অনিয়ম ও দুর্নীতি দেখা যাচ্ছে তারা কোনভাবেই মেনে নিতে পারতেছেন না এলাকাবাসীরা এলাকাবাসীদের অভিযোগগুলো হচ্ছে। যে ভালোভাবে সরকারীর ম্যানুয়াল অনুযায়ী এই কাজ আমাদের বুঝিয়ে দিতে হবে নয়তো আমরা কাজ বুঝে নেব কারণ অনিয়ম আর করতে দেওয়া হবে না সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে। তবে রাস্তাটি সংস্কারের বিষয় জলঢাকা পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী আলেকজান্ডারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করে বলেন নিয়ম অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে,কিন্তু অনেকেই বলতেছেন যে এই ভদ্রলোক আওয়ামী লীগ সরকার থাকাকালীন এ পর্যন্ত কর্মরত কিভাবে থাকেন এক জায়গায় তাইতো এই অনিয়ম ও দুর্নীতিগুলো হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করা হয় জলঢাকা পৌরসভার প্রশাসক তিনি জানান যে আমার সংশ্লিষ্ট অফিসারের সাথে কথা বলতে পারেন, কিন্তু গত সময়ে অনেক অভিযোগ পৌর প্রশাসককে জানানো হলে কোন ব্যবস্থা নেননি তিনি। পরে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হয় কাজের ঠিকাদার সবুজ ইসলাম এর সাথে তিনি জানান মিডিয়াকর্মীদের আমি কোন তথ্য দিতে পারবো না যা তথ্য লাগবে পৌরসভায় গিয়ে নেন। কিন্তু এলাকা জুড়ে চলছে তীব্র নিন্দা ঝড় যে বাংলাদেশ সব জায়গায় পরিবর্তন হলেও জলঢাকায় কোনো পরিবর্তন নেই। এলাকাবাসীদের একটাই প্রাণের দাবি আমাদের এই কাজ ভালোভাবে করতে জলঢাকা পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে।