
মোঃ আহাজ উদ্দীনঃ
সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ ভোমরা, কালিয়ানী, কাকডাঙ্গা, মাদরা ও হিজলদী বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, শাড়ি, চিংড়ি মাছের রেনুপোনা এবং বাংলাদেশী মোটরসাইকেলসহ ০৫ ফেনসিডিল ও ০২ কোডিন সিরাপ আটক করে।
ভোমরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ২/৪-এস হতে আনুমানিক ১.৫ কিঃ মিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন কুলিয়া রোড আনসারের মোড় নামক স্থান হতে ৬,০০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা আটক করে। কালিয়ানি বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল মেইন পিলার ৯/২-এস হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন খৈতলা নামক স্থান হতে ১,০০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এস এর ৩ আরবি হতে আনুমানিক ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন কেড়াগাছি নামক স্থান হতে ৭০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি আটক করে। মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এস এর ১০ আরবি হতে আনুমানিক ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন রাজপুর নামক স্থান হতে ১,৩২,৮০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় ফেনসিডিল, কোডিন এবং বাংলাদেশী মোটরসাইকেল আটক করে। এছাড়াও, হিজলদী বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এস এর ১৪ আরবি হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বড়ালি নামক স্থান হতে ৪,২০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে অভিযানিক দল সর্বমোট=১৩,২২,৮০০/-(তেরো লক্ষ বাইশ হাজার আটশত) টাকা মূল্যের চোরাচালানী মালামাল আটক করে। চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।