সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

বৃষ্টির দাপটে লৌহজংয়ে জীবন-জীবিকা বিপর্যস্ত, কমেছেরিকশাচালক-দিনমজুরের আয়, ক্ষতির মুখে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৭ বার পঠিত

মোঃ স্বপন বেপারী

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় টানা ভারী বৃষ্টিতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। বিশেষ করে রিকশা ও অটোরিকশাচালক, দিনমজুর এবং ভাসমান দোকানিরা কাজ হারিয়ে অর্থকষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। অন্যদিকে বৃষ্টিতে ভিজে শিশু, শিক্ষার্থী ও বৃদ্ধদের মধ্যে ঠান্ডা-জ্বরসহ মৌসুমি রোগের প্রকোপও বেড়েছে।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, টানা বৃষ্টির কারণে রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা। যাত্রী সংকটে অনেক রিকশা ও অটোরিকশাচালক ঘরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। যারা বের হয়েছেন, তাদেরও কাঙ্ক্ষিত আয় হচ্ছে না।
রংপুর থেকে জীবিকার সন্ধানে লৌহজংয়ে আসা অটোরিকশাচালক সেকান্দার শেখ বলেন, আমি ভাড়ায় অটোরিকশা চালাই। কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির কারণে যাত্রী নেই। যা আয় করি, তা দিয়ে গাড়ির ভাড়াও ওঠে না। সংসার চালানো খুব কষ্ট হয়ে গেছে।
এদিকে বৃষ্টির সুযোগে কয়েকজন চালকের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। ভুক্তভোগী আলাউদ্দিন মিয়া বলেন, ১০ টাকার ভাড়া ৩০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে তর্ক-বিতর্ক এমনকি হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে।
বৃষ্টির কারণে শিক্ষার্থীরাও দুর্ভোগে পড়েছেন। পর্যাপ্ত যানবাহন না পেয়ে অনেককে ভিজে বিদ্যালয় ও কোচিংয়ে যেতে দেখা গেছে। এতে অনেকেই ঠান্ডা-জ্বরসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিভাবকদের অভিযোগ।
উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা যায়, ভাসমান ফুটপাতের অধিকাংশ দোকান বন্ধ রয়েছে। বেচাকেনা না হওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। ভাসমান দোকানি শফিক বলেন, বৃষ্টির কারণে দোকান খুলতে পারছি না। ক্রেতাও নেই। আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।
এ ছাড়া দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিক ও মাটি কাটার শ্রমিকরাও কাজ না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। স্থানীয় ফার্মেসি ও হাসপাতালগুলোতে জ্বর, সর্দি-কাশি ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে বলে জানায়।
স্থানীয়দের দাবি, টানা বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষ। তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park