
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :
সদর উপজেলার ১২ নং উলপুর ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব জমি বেদখল হতে চললেও দেখার কেউ নেই।
উলপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় এলাকায় দোকানঘর তুলে বর্তমান চেয়ারম্যান এবং তার স্বজনরা ভাড়া দিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হলেও সরকার বঞ্চিত হচ্ছে উল্লেখযোগ্য পরিমান রাজস্ব- এমন লিখিত অভিযোগ অজ্ঞাত পরিচয় ব্যাক্তি বা সমষ্টি গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর করে। পরে এই প্রতিনিধি সরেজমিন তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে উলপুর ইউনিয়ন পরিষদের নামে উলপুর মৌজায় এসএ এবং বিআরএস রেকর্ড এবং নকশা মোতাবেক মোট ৫৪ শতাংশ ভুমি বিদ্যমান রয়েছে। তাসত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ কোনোকালেই ইউনিয়ন পরিষদের ভুমি রক্ষার্থে চৌহদ্দি নির্মানসহ অপরাপর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এতদসংক্রান্তে নথিপত্র হালনাগাদ থাকার পরেও ইউনিয়ন পরিষদের ভুমি রক্ষায় কোনোরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ না করা রহস্যজনক বলেই প্রতীয়মান হয়।
এ ব্যাপারে উলপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তার সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখানে নতুন। কয়েক মাস হয় উলপুর ইউনিয়ন পরিষদের কাজে যোগদান করেছি। এসব ব্যাপারে আমার জানা নাই। আপনারা চেয়ারম্যানের সাথে আলাপ করেন।
পরে উলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল ইসলাম ওরফে বাবুলের সাথে আলাপ করে সদুত্তর পাওয়া যায় নাই। বিষয়টি নিয়ে উলপুর ইউনিয়ন সহকারী ভুমি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনের সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, আমি অত্র ভুমি অফিসে সদ্য যোগদান করেছি। উলপুর ইউনিয়ন পরিষদের জমি সংক্রান্ত ব্যাপার সরেজমিন ও নথিপত্র খতিয়ে দেখে আমি ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।