সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

ত্রিশালে শশুরবাড়িতে সৎ মায়ের নির্যাতনের স্বীকার গৃহবধূ স্বামী সন্তানদেরকে নিয়ে ঘর ছাড়া।

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫
  • ৯৫ বার পঠিত

ইকবাল হোসেনঃ

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার গন্ডখোলা এলাকায় গৃহবধূকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে সৎ শাশুড়ী, শশুর ও দেবরের উপর।

অভিযোগ সূত্রে অভিযুক্তরা হলেন, সৎ শাশুড়ী হাজেরা খাতুন (৪০), দেবর জুনাইদ (২০), ও শশুর সিরাজুল ইসলাম।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ৫ বছর পূর্বে ভুক্তভোগী হাফসার বিবাহ হয়। বিবাহের পর পরিবার মেনে না নেওয়ায় তার স্বামী নিরুপায় হয়ে তাকে নিয়ে ঢাকায় চলে যায় এবং সেখানে বসবাস শুরু করে। ঢাকায় অবস্থানকালে তাদের এক মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান জন্ম গ্রহন করে। আনুমানিক ০৩ মাস পূর্বে ভুক্তভোগীর স্বামী তাকে সহ ০২ সন্তান নিয়ে তার পিতার বাড়িতে চলে আসে। ১৪-১৫ দিন থাকার পর ভুক্তভোগীর স্বামী-সন্তানকে বসত বাড়ি থেকে রাত ১২টায় বের করে দিয়ে ঘরে তালা লাগিয়ে দেয়। এরপর ভুক্তভোগীর চাচা শ্বশুড় শহিদুল ইসলাম তাদেরকেসহ দুই সন্তানকে তার বসত ঘরের ভেতর আশ্রয় দেয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীকে নানা ধরনের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (২২ মার্চ) দুপুর ২ টায় ভুক্তভোগীর সৎ শ্বশুড়ী, দেবর এবং শশুর শহিদুল ইসলামের বসতবাড়িতে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্দেশ্য করে গালমন্দ শুরু করে এবং ভুক্তভোগীকে চাচা শ্বশুড়ের বাড়ি হইতে চলিয়া যাইতে বলে। ভুক্তভোগী প্রতিবাদ জানাইলে তার চুলের মুঠি ধরে টানা হেছড়া শুরু করে এবং কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলা-ফোলা জখম করে। এক পর্যায়ে লোকজন এগিয়ে আসলে মৃত্যুর হুমকি দিয়ে চলে যায়।
এবিষয়ে ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহম্মদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।কেউ যদি অভিযোগ দিয়ে থাকে তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park