
স্টাফ রিপোর্টারঃ
কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর এলাকার তানপাড়ায় ৭(সাত) বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার বিকেল আনুমানিক ৪(চার) ঘটিকার সময় মোসা: লাবিবা ৭(সাত) কে তার মা পশের বাসার সমবয়সী এক বাচ্চা মেয়ের সাথে খেলতে দিয়ে জরুরি কাজে অন্যত্র গেলে চকলেট খাওয়ানো ও খেলনা দেয়ার লোভ দেখিয়ে জসিম উদ্দিন( ৫৫) পিতা- আবু তাহের তানপাড়া ঘাটারচর প্রাইমারি স্কুল সংলগ্ন তার নিজ বাড়িতে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়।
এবং রুমের ভিতরে তালাবদ্ধ করে ছাদে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে,
সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ শিশু বাচ্চাটির মা বাসায় এসে মেয়েকে না দেখে খোজাখুজির একপর্যায়ে মেয়ের নাম ধরে ডাক চিৎকার করলে অভিযুক্ত জসিম উদ্দিনের ভেতর হতে বন্ধ করা বাসা হতে কাঁদতে কাঁদতে মায়ের ডাকের সাড়া দেয় মেয়েটি।
পরে জসিম উদ্দিন বেড়িয়ে শিশুটির মাকে বলে, একা একা অন্য কোথাও হারিয়ে যেতে পারে তাই ঘরের ভিতরে রেখেছি।
কিন্তু শিশু লাবিবা তার মাকে জানায় তার সাথে খারাপ কিছু হয়েছে। শিশুটির জামা কাপড় ছেড়া সহ মুখে আছড়ের দাগ স্পষ্ট দেখা গেছে।
সাথে সাথে বিষয়টি মেয়েটির বাবা ইব্রাহীমকে অবগত করলে তিনি তার স্ত্রী, শিশু লাবিবা ও সাথে একই এলাকার একজন বয়স্ক লোক যিনি ঘটনা স্থলে উপস্থিত ছিল তাকে নিয়ে প্রথমে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় হাজির হন, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি তদন্ত ইলিয়াছ বিষটি তৎক্ষনাৎ খুব গুরুত্ব সহকারে দেখেন । এবং কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার সাথে সাথে শিশুটিকে মিডফোর্ড হসপিটালে নিয়ে চিকিৎসা ও পুলিশকেইস এর কাগজ নিয়ে আসতে বলেন এবং একটি অভিযোগ দায়ের করতে বলেন।
বাচ্চাটিকে নিয়ে মিডফোর্ড হসপিটালে গেলে তাহারা পুলিশকেইস এর কাগজ দেন এবং শিশু লাবিবাকে উন্নত চিকিৎসা ও মেডিকেলে শারীরিক পরিক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) এ পাঠিয়ে দেন।
শনিবার শিশু লাবিবাকে শারীরিক পরিক্ষার জন্য ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) তে পুলিশের সহায়তায় ভর্তি করা হয়।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মেয়েটির বাবা ইব্রাহিম নিজে বাদী হয়ে একটি মামলা ধায়ের করেন।
দায়ের কৃত মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ- পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ারুল হক জানান,
ভুক্তভোগীর বাবা ও মা থানায় এসে শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১৪)।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও জানান ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন পলাতক রয়েছে। এবং তাকে দ্রুত গ্রেফতারের অভিযান চলমান রয়েছে।
ঘাটারচরের তানপাড়ার এলাকাবাসি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেছেন জসিম উদ্দিন তাহার চরিত্র ভালো না।
আরশআলী (৫৫) নামে এক ব্যাক্তি জানান, জসিম উদ্দিন একজন নারীলোভী নরপিশাচ। তার লালসার স্বীকার শিশু হতে শুরু করে বয়স্ক মেয়েরাও হয়েছেন।
জীবনের শেষ সীমানায় এসেও জসীম উদ্দিন এখনও বিয়ে করেন নাই।
এলাকাবাসীর দাবি জসিম উদ্দিনের মত এরকম নরপশুর এমন দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হোক যাতে করে আর কোন অপরাধী এরকম অপরাধ করার সাহস না পায়।