সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে প্রায় দেড়’শ বছর আগে জমিদার আমলে গড়ে উঠা  ঐতিহ্যবাহী মেলা।

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১২৯ বার পঠিত

মোঃ এনামুল আলম কবিরঃ

দেড়’শ বছর আগে জমিদার আমলে গড়ে উঠা  ঐতিহ্যবাহী মেলা এখনো জমজমাট।

সিরাজগঞ্জ জেলার  তাড়াশ উপজেলা থেকে ১০ কি: মি পশ্চিমে  জমিদার  খ্যাত বারুহাস বাজারে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। 

শনিবার দিনব্যাপী জমুল মেলা অনুষ্ঠিত হলেও মেলা শুরু হবে শুক্রবার রাত থেকেই। এ ছাড়া মুল মেলার পরের দিন রবিবার অনুষ্ঠিত হবে বউ মেলা। এ কারনেই স্থানীয়রা বারুহাস মেলার উৎসব ৩ দিনই মনে করেন। মেলার আয়োজক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এ মেলায় গ্রামীণ কৃষকরা সারাবছরের জন্য ডাল,জিরা মসলা,কালোজিরা,তিল, মরিচ,হলুদ ইত্যাদি কিনে রাখতো

তাছাড়া ও মেলায় ছোটদের জন্য নাগরদোলা, ডিজে নৌকায় বসে খেলা,জ্যামপিং  আরো।অনেক।খেলা আছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ৭০ দশক থেকে ৯০ দশক সময়েও এ মেলার সুনাম ছিল উত্তর বঙ্গ জুড়ে। অনেক দুর দুরান্তের মানুষ মেলায় আসত। বগুড়া, শেরপুর, সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও পাবনা সহ দুর দুরান্তের জেলা থেকে শৌখিন দর্শনার্থীরা মহিষ ও গরুর গাড়ীর বহর নিয়ে মেলায় আসতেন। মেলার এক পাশে তাবু টানিয়ে করতেন মেলার কেনা কাটা।

সে সময় মুলত বারুহাস মেলা ছিল ২৫ থেকে ৩০ গ্রামের মানুষের সব চেয়ে বড় উৎসব। মেলার ১ মাস আগে থেকেই চলতো নানা প্রস্তুতি। বাড়িতে লোক কুটুমকে দাওয়াত করা জামাই ঝি আনা, বাড়ি ঘরের লেপ মোচন, খৈ মুড়ি ভাজা সব মিলে মেলা বাসিরা ১ মাস আগ থেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়তো।

 এ মেলার সব চেয়ে বড় ঐতিহ্য। শশুড় বাড়ির পরবি পেয়ে জামাইরা মাছ,মাংস ও রঙিন হাড়িতে মিষ্টি কিনে শশুড় বাড়িতে ফিরতেন।

মেলার নির্ধারিত জায়গার অভাব সহ নানা কারনে এ মেলার দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে এক সময়  দেড়শত বছরের এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়বে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park